• ১৬ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:২২
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

অবশেষে বেনাপোল চেকপোষ্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনে ফিরে এসছে সুষ্টু ব্যবস্থাপনা

bmahedi
প্রকাশিত জুলাই ১২, ২০১৯, ২২:২৭ অপরাহ্ণ

কামাল হোসেন : স্টাফ রিপোর্টার ।।

অবশেষে বেনাপোল চেকপোষ্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনে ফিরে এসছে সুষ্টু ব্যবস্থাপনা। কমেছে যাত্রী হয়রাণিী। লোকবল সংকটের কারনে কাজে ধীরগতি থাকায় দূর্ভোগে পড়েছে পাসপোর্টযাত্রীরা। ইমিগ্রেশনে স্বচ্ছতা ও বহিরাগতদের প্রবেশ বন্ধ করে দিয়ে যার পাসপোর্ট তার হাতে থাকবে এমন উদ্যোগে গোটা চেকপোস্টে ফিরে এসছে শৃংখলা।

শুক্রবার সকাল ৮ টা থেকে বেনাপোল চেকপোষ্টে এলাকায় দেখা যায় কয়েক হাজার পাসপোর্টযাত্রীদের দীর্ঘ লাইন। কেউ ব্যাংকে লাইন দিয়ে ভ্রমন ট্র্যাক্স নিচ্ছে  আবার কেউ ইমিগ্রেশনে প্রবেশ’র  দাঁড়িয়ে আছে লম্বা লাইনে।  ছোট ছেলে মেয়ে ও রোগিদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে তাদের সাথে থাকা অভিভাবকরা। সীমাহীন  দুর্ভোগ’র শিকার হয়েছে পাসপের্টযাত্রীরা ।  যাত্রীদের  বিশ্রাম ও রৌদ বৃষ্টি থেকে রেহাই পেতে  চেকপোষ্টে আছে একটি আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল। সেখানে প্রবেশ করতে নেওয়া হচ্ছে প্রতিটি যাত্রীর নিকট থেকে টার্মিনাল ফী বাবদ ৪৫ টাকা। অথচ রিসিট দেওয়া হচ্ছে ৪১.৭৫ টাকা।

সেখানে বৃষ্টি নামলেও প্রবেশ করতে দেয়নি পোর্টের নিয়োজিত আনছার, আমর্ড পুলিশ,ও পিমা নামে একটি নিরাপত্তা সংস্গ্রুথার কর্মীরা।স্থানীয়রা জানান, এর আগে মাঝে মধ্যে বেনাপোল চেকপোস্টে পাসপোর্টযাত্রীদের দীর্ঘ সারী হয়েছে কয়েক বার। কিন্তু সম্প্রতি একটানা এধরনের লাইন হওয়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছে  পাসপোর্টযাত্রীরা। তারা বলেন, ঢাকা সহ দেশের দুর দুরান্ত থেকে পরিবহনে আসা যাত্রীরা সব থেকে বেশী ভোগান্তিতে পড়ছে। কারন সারারাত জেগে থেকে সকালে বেনাপোল এসে ভ্রমন ট্র্যাক্স ও ইমিগ্রেশন কাসটমস এর আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে সময় লাগছে কয়েক ঘন্টা।

খুলনা থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রী নিলীমা শীল ( পাসপের্ট নং বিএফ ০৬১৬৭১৫) অভিযোগ করে বলেন বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাচেঞ্জার টার্মিনালের ট্যাক্স ৪৫ টাকা দিলেও তারা টার্মিনালে  প্রবেশ করতে পারেনি।  এধরনের অভিযোগ আরো একাধিক যাত্রীর। আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে অর্থ দিয়ে কিছু যাত্রী ভিতরে প্রবেশ করেছে এরকম প্রশ্নে ইমিগ্রেশন সুত্র জানায়, আমরাও বিষয়টি শুনেছি আজ প্যাচেঞ্জার টার্মিনালের সামনে কিছু অনিয়ম হয়েছে। সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাতে কোন আনছার সদস্য যাত্রীদের নিকট থেকে অর্থের বিনিময়ে আগে প্রবেশ করাতে না পারে।ইমিগ্রেশন পুলিশ সার্বোক্ষনিক যাত্রীদের টার্মিনালের সামনে কাউকে টাকা দিয়ে যাতে ভিতরে প্রবেশ না করে তার জন্য সতর্ক করছে।

বেনাপোল পুলিশ ইমিগ্রেশন ওসি তদন্ত মাসুম বিল্লাহ বলেন, সঠিক ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ইমিগেগ্রশনে কাজ চলছে। কোন প্রকার অনিয়ম হচ্ছে না। যার পাসপোর্ট  সে হাতে নিয়ে কাজ করছে ইমিগ্রেশনে। পাসপোর্ট যাত্রীদের কোন হয়রানি নেই। দ্রুত সকল যাত্রীদের সেবা দেয়া  হচ্ছে  বিরতীহীন ভাবে। এখানে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে যা ঢাকা থেকে কি হচ্ছে সব কিছু দেখা যায়।

অপর একটি সুত্র দাবি করে বলেন, ইমিগ্রেশনের জনবলও সংকট। এখানে ২৪ জন এসআই থাকার কথা থাকলেও  সেখানে আছে ১৮ জন, এবং ৯ জন এ এসআই এর জায়গায় আছে মাত্র ৩ জন। এছাড়া সম্প্রতি পাসপোর্ট যাত্রীর সংখ্য পুর্বের তুলনায়  বৃদ্ধি পাওয়ায় ভীড় বেড়েছে  দ্বিগুন।

Sharing is caring!