• ১৬ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:০২
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন ফখরুলসহ বিএনপির ৮ জ্যেষ্ঠ নেতা

bmahedi
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯, ১৭:০৬ অপরাহ্ণ
আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন ফখরুলসহ বিএনপির ৮ জ্যেষ্ঠ নেতা
মো: হাফিজুর রহমান ।। 

রাজনৈতিক সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য এবং পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ ৮ নেতা। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ আট নেতাকে সোমবার জামিন দেন ঢাকা মহানগর হাকিম শরাফুজ্জামান আনসারির আদালত। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া অন্য নেতারা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং মাসুদ আহমেদ তালুকদার। তাদের সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান ও তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ।

আদালতের আদেশের পর ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান জানান, হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির আট নেতার পক্ষে জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। তবে এ মামলার আরও আট নেতা শিগগিরই হাজির হয়ে জামিন নেবেন বলে আশা করছি।

আত্মসমর্পণ করে জামিনের অপেক্ষায় থাকা অন্য নেতারা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, মঞ্জুর মোরশেদ খান, মো. শাহজাহান, বরকতউল্লাহ বুলু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন, হাজী সালাহউদ্দিন, মো. আমিনুর রহমান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন।

গত ১৮ এপ্রিল এ মামলায় আপিল বিভাগের রায় প্রকাশের পর বিচারিক আদালতে পৌঁছানোর দুই সপ্তাহের মধ্যে ১৬ নেতাকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। তবে আত্মসমর্পণের পর এসব ব্যক্তি জামিনের আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট আদালত আইন ও তথ্য অনুসারে জামিনের জন্য তাদের প্রার্থনা বিবেচনা করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। ২১ আগস্ট আপিল বিভাগের রায়টি বিচারিক আদালতে পৌঁছায়। যার ধারাবাহিকতায় তারা বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন চেয়ে আবেদন করেন। এর আগে নাশকতার অভিযোগে হাতিরঝিলে করা মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ আট শীর্ষ নেতাকে আগাম জামিন দেন বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি কাশেফা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

গত বছরের ১ অক্টোবর রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য এবং পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে পুলিশ।

Sharing is caring!