• ৬ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:২৪
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

আমদানি-রপ্তানি গতিশীল করতে দু’দেশের কাস্টমস-বন্দর ও ব্যবসায়ীদের বৈঠক বেনাপোলে

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত নভেম্বর ১৬, ২০২১, ২০:৫৮ অপরাহ্ণ
আমদানি-রপ্তানি গতিশীল করতে দু’দেশের কাস্টমস-বন্দর ও ব্যবসায়ীদের বৈঠক বেনাপোলে

তানভীর মহসিন, বেনাপোল ।।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও গতিশীল করতে দু’ দেশের বন্দর, কাস্টমস ও ব্যবসায়ীদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিহ হয়েছে নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায়।
ভারতীয় সিএন্ডএফ স্টাফ এসোসিয়েশনের আমন্ত্রণে আজ মঙ্গলবার বিকেলে গেটের নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উভয় দেশের ১৩ জন করে প্রতিনিধি অংশ গ্রহন করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের পে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল কাস্টম হাউজের যুগ্ম কমিশনার-১ আব্দুর রশিদ মিয়া ও ডেপুটি কমিশনার অনুপম চাকমা, বেনাপোল বন্দরের ডেপুটি ডাইরেক্টর আব্দুল জলিল ও এ্যাসিসটেন্ট ডাইরেক্টর সঞ্জয় কুমার বাড়ই, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন,সাধারন সম্পাদক এমদাদুল হক লতা, খাইরুজ্জামান মধূ, ভারত-বাংলাদেশে চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ডাইরেক্টর মতিয়ার রহমান, সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান প্রমুখ।
ভারতের পে উপস্থিত ছিলেন পেট্রাপোল কাস্টমস’র এ্যাসিসটেন্ট কমিশনার গ্রিধর সরঙ্গী, বনগাঁ পৌরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সেট, কোলকতা সিএন্ডএফ এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাজু গোস্বামী ও পেট্রাপোল স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী প্রমুখ।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, স্থলবন্দর দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিভাবে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম আরও গতিশীল করা যায়, আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করতে দু’দেশের বন্দরে বিরাজমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা দ্রুত বাস্তবায়নে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পেট্রাপোল বন্দরের কালীতলা পার্কিংয়ের সমস্যা, দু’দেশের বিজিবি-বিএসএফ’ র পন্যবাহি ট্রাক চেকিংয়ে দীর্ঘ সময় পরিহার করে বিকল্প বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) সঞ্জয় কুমার বাড়ই জানান, ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে জায়গা সংকট রয়েছে। সে কারনে বনগাঁর ব্যক্তি মালিকানাধীন কালীতলা পার্কিংয়ে হাজার হাজার পণ্যবোঝাই ট্রাক আটকে রাখা হয়। সেখানে ইচ্ছা করে একটি চক্র ৩০-৪০ দিন গাড়িগুলো আটকিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করায় ব্যবসায়ীদের মোটা অংকের আর্থিক লোকসান হচ্ছে। প্রতিদিন ৭০০ করে ট্রাক আমদানি হলে বেনাপোল বন্দরের জায়গার সমস্যা নেই।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার আব্দুর রশিদ মিয়া জানান, করোনা পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের বানিজ্যে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে যে সব সমস্যা চিন্হিত করা হয়েছে সে গুলো নিরসনে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধির ল্েয দু দেশের যেকোন সমস্যা নিয়ে ফের আলোচনা হতে পারে।

Sharing is caring!