• ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৫৩
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

‘আমাকে আপা নয়, দাদি ডাকবা’, ছাত্রলীগ নেতাদের প্রধানমন্ত্রী

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত অক্টোবর ৫, ২০২১, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
‘আমাকে আপা নয়, দাদি ডাকবা’, ছাত্রলীগ নেতাদের প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

ঢাকা ব্যুরো ।।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিসহ আট নেতার সঙ্গে এক বৈঠকে গল্পে মেতে উঠেছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার বিদেশ সফর উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শেষে গণভবনে দেড় ঘণ্টার অনানুষ্ঠানিক ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ছাত্র নেতাদের দলাদলির ঊর্ধ্বে থেকে সবাইকে নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে দিক-নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি সনজিৎ চন্দ্র দাশ ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল কমিটি গঠন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিৎ চন্দ্র দাশ আলোচনা তুললে শেখ হাসিনা বলেন, ‘হল কমিটি করে ফেল। তবে সব কাজই ধীরে করা ভালো। সময় নিয়ে কোনো কাজ করলে সেটা নিঃসন্দেহে ভালো হয়।

এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল কমিটির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শেখ হাসিনার উপস্থিতি নিশ্চিত করার অনুরোধ করেন সনজিৎ। তিনি বলেন, ‘আপা, আপনাকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে হবে।’ প্রতি উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রধান অতিথি হিসেবে না, দাদি হিসেবে চাও’। এ সময় মজা করে শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাকে আপা নয়, দাদি ডাকবা তোমরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের ব্যানারে নানা কর্মসূচির আয়োজনের পেছনে শিবির সংঘবদ্ধ রয়েছে; ছাত্রলীগ নেতারা এমন তথ্য জানালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিবির সবসময়ই ছিল। তারা প্রকাশ্যে কর্মকাণ্ড চালালে ক্ষতি কী? বরং গোপন কর্মকাণ্ড ক্ষতির ও আশঙ্কার।’ তিনি বলেন, তোমরা সাধারণের সঙ্গে মিশে সংগঠনের কাজ করো। নীতি আদর্শ নিয়ে কাজ করো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার দিন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের পানি, মাস্ক, স্যানিটাইজার ও কলম সহায়তা দিচ্ছে। অন্যদিকে ছাত্রদল শোডাউন করছে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না- ছাত্রলীগ নেতারা এমন অভিযোগ জানালে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তোমরা তোমাদের কাজ কর। কে কী করলে তাতে মনযোগ দেওয়ার প্রয়োজন নাই। তা ছাড়া তাদের নেতা আর তোমাদের নেতা শেখ হাসিনা কি এক হলো?’

এ সময় শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ নেতাদের কার কোন জেলায় বাড়ি এই পরিচয় নেন।  ছাত্রলীগ নেতারা তাদের বয়সসীমা বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘না। ২৪-২৫ বছরের পরে কারও লেখাপড়া হয় না। ’এই গল্পের আসরে উপস্থিত আট নেতার মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!