• ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১লা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:২৮
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

আমেরিকার ঘুম হারাম করতে অবাক করা খবর দিলেন এরদোগান!

bmahedi
প্রকাশিত জুন ১৯, ২০১৯, ২০:৩৩ অপরাহ্ণ
আমেরিকার ঘুম হারাম করতে অবাক করা খবর দিলেন এরদোগান!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: চলছিল লাগাতার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি। আর তা উপেক্ষা করেই সেনাবাহিনীর হাতে আসছে রাশিয়ার সবথেকে আধুনিক ডিফেন্স সিস্টেম এস-৪০০। আগামী মাস অর্থাত্‍ জুলাইয়ের শুরুতেই তুরস্কে পৌঁছাবে এই ডিফেন্স সিস্টেম। এমনটাই জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেপ এরদোগান।

তাঁর দাবি, মার্কিন হুমকি সত্ত্বেও আগামী মাসে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিক ডিফেন্স সিস্টেম এস-৪০০ তুরস্কে পৌঁছাতে শুরু করবে। এই মুহূর্তে তাজিকিস্তান সফরে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট। সেখানেই এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে এমনটা জানিয়েছেন এরদোগান।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এরদোগান বলেন, আমার মনে হয় আগামী মাসের প্রথম দিকেই রাশিয়া আধুনিক ডিফেন্স সিস্টেম এস-৪০০ পাঠাতে শুরু করবে। ইতিমধ্যে তাঁর রাশিয়ার সঙ্গে এই বিষয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন এরদোগান। রুশ এস-৪০০ কেনার বিষয়টি পুরোপুরি চূড়ান্ত। শুধু সময়ের অপেক্ষা। মাস পেরোলে যে কোনও সময়ে দেশের মাটি ছোঁবে এই ডিফেন্স সিস্টেম।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে তুরস্ক রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ কেনার বিষয়ে চুক্তি সই করে। এর দুই বছর আগে আমেরিকা সিরিয়া সীমান্তে মোতায়েন ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়। তুরস্ক এস-৪০০ কেনার চুক্তি করার পর থেকেই আমেরিকা লাগাতার বিরোধিতা করে আসছে। একইসঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষে একের পর এক হুমকি আসছিল তুরস্কের কাছে।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষে এরদোগানকে পরিস্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ কিনলে এফ-৩৫ যুদ্ধ বিমান নির্মাণে যৌথ প্রকল্প থেকে তুরস্ককে বাদ দেওয়া হবে। তুরস্কের কয়েকটি বৃহত্‍ কোম্পানি আমেরিকার অন্যতম আধুনিক যুদ্ধবিমান নির্মাণের ক্ষেত্রে যৌথ প্রকল্পে অংশ নিয়েছে। পার্টনারশিপে এই যুদ্ধবিমান তৈরির কাজ চলছে। শুধু তাই নয়, তুর্কি এয়ার ফোর্সের পাইলটদেরকেও আমেরিকা প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল।

ইতিমধ্যে তুর্কি পাইলটদের যুদ্ধবিমানের কসরত শেখানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে মার্কিন এয়ারফোর্স। তাঁদের আর কোনও ধরনের কসরত শেখাচ্ছে না মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটরা।

Sharing is caring!