• ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:২৩
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

আ’লীগের কাউন্সিল: পদ হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন অনুপ্রবেশকারী ও দুর্নীতিবাজরা

bmahedi
প্রকাশিত অক্টোবর ২৬, ২০১৯, ১৯:২৭ অপরাহ্ণ
আ’লীগের কাউন্সিল: পদ হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন অনুপ্রবেশকারী ও দুর্নীতিবাজরা
সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ :=

আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে সব স্তরের (তৃণমূল থেকে কেন্দ্র) নেতাকর্মীদের বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হলেও দলটিতে চাপে রয়েছে একটি শ্রেণি। পদ হারানোর শঙ্কায় আছেন-টেন্ডার ও চাঁদাবাজ, অনুপ্রবেশকারী, দলের ভেতর অন্তর্দ্বন্দ্ব সৃষ্টিকারী, বিভিন্ন দুর্নীতিবজসহ ক্যাসিনো পরিচালনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত নেতারা।

কারণ এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জিরো টলারেন্স (শূন্য সহিষ্ণুতা)’ ঘোষণা করেছেন। তা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছেন দলটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা। ইতিমধ্যেই সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে অব্যাহতি দেয়ার পাশাপাশি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, অপকর্মের জন্য এদের অনেকের বিরুদ্ধে নেয়া হয়েছে আইনানুগ ব্যবস্থাও।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, দলের জাতীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে দলের সবস্তরের নেতাদের ওপর একাধিক জরিপ চালানো হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে পরিচালিত এসব জরিপের বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত দলের হাইকমান্ডের কাছে জমা পড়েছে। যেসব নেতা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তাদের রাখা হয়েছে নজরদারিতে। এসব দুর্নীতিবাজ নেতা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে স্থান তো পাবেনই না, উল্টো তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে সব ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা। অন্যদিকে জরিপে ত্যাগী ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতাদের নাম উঠে এসেছে, তাদের একটি পৃথক তালিকা দলীয় সভাপতির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি তৃণমূলের অনেক পরীক্ষিত নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত আছে। যেখানে রয়েছে অনেক নতুন মুখও।

এ তালিকায় স্থান পাওয়া নেতাদের ওপর এই মুহূর্তে চলছে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তাদের মধ্য থেকেই কাউন্সিলের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দলের আগামী নেতৃত্ব তুলে আনা হবে।

আওয়ামী লীগের আগামী নেতৃত্ব প্রসঙ্গে দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বুধবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘নিজের ঘরের মধ্য থেকে প্রধানমন্ত্রী শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। যারা টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও মাদকের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, তাদের কেউ ছাড় পাবে না। এতে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী কোনো নেতাও যদি জড়িত থাকেন তারাও কিন্তু নজরদারিতে আছেন। সময়মতো প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Sharing is caring!