• ২৩শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:২০
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

ইউপি নির্বাচন : মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় ১৩ পুলিশ হাসপাতালে 

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
ইউপি নির্বাচন : মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় ১৩ পুলিশ হাসপাতালে 
কক্সবাজার ব্যুরো ।।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ১৩ পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনা নিয়ে মেম্বার প্রার্থী মো. আলী ও মো. আবদুল্লাহর মধ্যে বাদানুবাদ হয়। পরে এক পর্যায়ে তারা সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়েন। ভোট গণনা শেষে ব্যালট বাক্স ও সরঞ্জাম নিয়ে আসার সময় এলাকায় মেম্বার প্রার্থী মো. আবদুল্লাহর অনুসারীরা পুলিশকে আটকে ফেলে। এসময় ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন লোহার রড, ইট-পাটকেল ছুড়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে উপপরিদর্শকসহ পুলিশের ১৩ সদস্য আহত হন। এছাড়া এপিবিএনের পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন স্থানীয় লোক আহত হয়েছেন।

আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও লেদা স্বাস্থ্য বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক খানে আলম বলেন, ‘রক্তাক্ত অবস্থায় পুলিশসহ ১৩ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের মধ্য তিন জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।’
হামলার বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স ও সরঞ্জাম নিয়ে আসার সময় মেম্বার প্রার্থী আবদুল্লাহর লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে ১৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পাশাপাশি হামলাকারীরা এপিবিএনের পুলিশ ব্যারাক লুট করার চেষ্টা চালিয়েছে। পুলিশ সেখানে অভিযান চালাচ্ছে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন পরিবর্তী সহিংসতায় পুলিশের বেশকিছু সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে আমরা কাজ করছি।
এদিকে ২০ সেপ্টেম্বর টেকনাফের চার ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ হয়েছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা ও সাধারণ আসনে ৪২৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর ওসাবরাং ইউনিয়ন নির্বাচনে ৪২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩২টি অতি ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছিল প্রশাসন। চার ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ ১৭ হাজার ৬১৫ জন।

Sharing is caring!