• ২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৩০
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

ইরানের সাথে পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় ৫ দেশ

bmahedi
প্রকাশিত মে ২, ২০২১, ১৪:৩৭ অপরাহ্ণ
ইরানের সাথে পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় ৫ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ## ইরানের সাথে ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তিতে ফিরতে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে পরাশক্তিধর পাঁচ দেশ। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাধমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য হবে যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তিতে ফিরিয়ে আনা। যদিও এতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিনিধি আপাতত থাকছেন না।

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় শনিবার (১ মে) বসছে প্রথম বৈঠক। এতে ইরানের বিপরীতে অংশ নেবেন চীন, জার্মানি, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের কূটনীতিকরা।

জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তি থেকে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার করেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একপাক্ষিক এ সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচিত হলেও সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন তিনি।

 

গোপনে পরমাণু কর্মসূচি লঙ্ঘনের অভিযোগে সে সময় ইরানের বিরুদ্ধে অনেক নিষেধাজ্ঞাও দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

কয়েক দশক আলোচনার পর ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সরকারের মধ্যস্থতায় হয়েছিল চুক্তিটি। চুক্তি অনুযায়ী পরমাণু কর্মসূচি সীমিত রাখা ও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তে ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্ব।

২০১৬ সালে ক্ষমতায় আসার পরপরই চুক্তি বাতিল করে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার জেরে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে এ পর্যন্ত কয়েক দফায় পরমাণু কর্মসূচি সম্প্রসারণ করেছে ইরান।

২০১৯ সালের নির্বাচনে জিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেন ক্ষমতায় এলে আবারো চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেরা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

ভিয়েনায় ইরানের সঙ্গে বৈঠকে পাঁচ দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র না থাকলেও পরোক্ষ উপস্থিতি থাকবে দেশটির।

মূল বৈঠক সামনে রেখে রাশিয়ার শীর্ষ প্রতিনিধি মিখাইল উলিয়ানোভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেসিপিওএ সদস্যরা আলাদাভাবে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছে। আমরা ২০১৫ সালের চুক্তির সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন চাই। কিন্তু আমেরিকান কূটনীতিকদের সঙ্গে এখনই সাক্ষাতে প্রস্তুত নয় ইরানের কূটনীতিকরা।

 

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় বিপর্যস্ত ইরানের অর্থনীতি। ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞামূলক ব্যবস্থার জবাব হিসেবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও মজুত বৃদ্ধি করতে শুরু করেছে তেহরান।

মূলত ইরানকে পারমাণবিক বোমা তৈরি থেকে বিরত রাখাই ছিল চুক্তিটির উদ্দেশ্য।

চুক্তিটি পুনর্বহালের লক্ষ্যে এপ্রিলের শুরুতে ভিয়েনা বৈঠক শুরু হয়েছিল। শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক দফা আলোচনা হলেও আসেনি উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি।

Sharing is caring!