• ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:২৮
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

এফবিআই তদন্তের গোপন নথি প্রকাশের আদেশ বাইডেনের

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৪, ২০২১, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
এফবিআই তদন্তের গোপন নথি প্রকাশের আদেশ বাইডেনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। 

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারে হামলার পর মার্কিন গোয়েন্দা বাহিনী এফবিআই যে তদন্ত করেছি, সে সংক্রান্ত নথি প্রকাশ করার আদেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এজন্য মার্কিন বিচার বিভাগ এবং অন্যান্য সংস্থাকে ছয় মাসের সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি। খবর আল জাজিরার।

আর কয়েকদিন পর এই হামলার ২০ বছর পূর্তি হবে। তার ঠিক আগে শুক্রবার এমন নির্দেশ দিলেন বাইডেন। এর এক মাস আগে ৯/১১ হামলায় বেঁচে যাওয়া, ফার্স্ট রেসপন্ডার এবং নিহত হওয়া প্রায় তিন হাজার ভুক্তভোগীর পরিবার কঠোর ভাষায় বাইডেনের কাছে চিঠি লিখেছিলেন।

সেখানে তারা অভিযোগ করেন, মার্কিন সরকার ইচ্ছা করে এই নথি গোপন করছে। কারণ এর মধ্য দিয়ে তার সৌদি আরবকে বাঁচাতে চাইছে। ওই ব্যক্তিদের অভিযোগ, ৯/১১ হামলায় আল-কায়েদাকে সহায়তা করেছিল সৌদি সরকার।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, যখন আমি প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলাম তখন আমি ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার নথি প্রকাশের বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। আমরা যখন সেই মর্মান্তিক দিনের ২০তম বার্ষিকীর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন আমি আমার সেই অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংক্রান্ত নথির একটি ডিক্লাসিফিকেশন পর্যালোচনা তদারকি করার জন্য বিচার বিভাগ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নির্দেশনা দিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছি। নির্বাহী আদেশে অ্যাটর্নি জেনারেলকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে নথিগুলো প্রকাশ করতে হবে।

এর আগে গত মাসে ৯/১১ হামলায় সরাসরি ভুক্তভোগী প্রায় ১৭০০ ব্যক্তি তাদের চিঠিতে, তদন্তের নথি প্রকাশ না করলে বাইডেনকে এই হামলার স্মরণসভায় যাওয়া থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানান। তারা জানান, ২০০৪ সালে ৯/১১ কমিশনের তদন্তে দেখা যায়, ওই হামলায় সৌদি সরকারি কর্মকর্তাদের সমর্থন ছিল।

চিঠিতে ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, একাধিক সরকারের মাধ্যমে বিচার বিভাগ এবং এফবিআই সক্রিয়ভাবে এই তথ্য গোপন রাখতে এবং ৯/১১ হামলার ব্যাপারে পুরো সত্য জানতে মার্কিন জনগণকে বিরত রেখেছে। এদিকে ওই চিঠি পাওয়ার পর বাইডেনের বিচার বিভাগ এই গোপন নথির ব্যাপারে পর্যালোচনা শুরু করে।

Sharing is caring!