• ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:২২
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরা টিকায় অগ্রাধিকার পাবে: শিক্ষামন্ত্রী

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত নভেম্বর ১, ২০২১, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরা টিকায় অগ্রাধিকার পাবে: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা ব্যুরো ।।

সএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুরুতে আমরা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেবো। পরীক্ষা শুরুর আগে তাদের টিকা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তার সঙ্গে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরও টিকা দেওয়া হবে।

সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন তিনি।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

প্রথম দিনে শুধু আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে রাজধানীর ৮টি স্কুলে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

ঢাকার শিক্ষার্থীদের টিকা দিতে প্রাথমিকভাবে আটটি কেন্দ্র প্রস্তুত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাড়া বাকি ৭টি কেন্দ্র হচ্ছে- হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (ভাটারা), সাউথ পয়েন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (মালিবাগ), চিটাগং গ্রামার স্কুল (বনানী), কাকলি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (ধানমন্ডি), ঢাকা কমার্স কলেজ (চিড়িয়াখানা রোড), স্কলাস্টিকা (মিরপুর-১৩) ও সাউথ ব্রিজ স্কুল (উত্তরা)।

টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধনের সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, টিকাদান কর্মসূচি সফল হলেই স্বাভাবিক শিক্ষাদান করা হবে। আগামী বছরে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

স্কুলশিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রতি গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শুধু করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা নিলেই হবে না। টিকার পাশাপাশি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলতে হবে।

 বার্তাকণ্ঠ/এন

Sharing is caring!