• ১৯শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৫ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৪৮
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

করোনায় দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে দ্বিগুণ

bmahedi
প্রকাশিত এপ্রিল ২১, ২০২১, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
করোনায় দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে দ্বিগুণ

স্টাফ রিপোর্টার ## অতিমারী করোনায় দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সানেমের জরিপ অনুযায়ী, দারিদ্র্যের হার এখন ৪২ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে ছিল ২১ শতাংশ। সিপিডির তথ্য অনুযায়ী, ৮০ শতাংশ দরিদ্র পরিবারে খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমেছে। সঞ্চয় কমেছে ৬৫ শতাংশ দরিদ্রের। অর্থনীতিবিদরা সরকারকে খাদ্য ও অর্থ নিয়ে নিম্নবিত্তের পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন।

 

লকডাউনে অনেকটাই স্তব্ধ মহাব্যস্ত রাজধানী। জরুরি সেবা ছাড়া ছোট-বড় প্রায় সব প্রতিষ্ঠান ও অফিস বন্ধ। গণপরিবহনের চাকাও ঘুরছে না। তাই কাজ হারিয়ে অনিশ্চিত সময় পার করছে মহাখালীর কড়াইল বস্তির শ্রমিকরা। শ্রমিকরা বলছেন, করোনার আগে প্রতিদিন ৫-৬শ টাকা করে আয় করেছি কিন্তু এখন সেই আয় নেই।

 

খরচ চালাতে না পেরে অনেকেই পরিবারের সদস্যদের গ্রামে পাঠিয়ে দিয়েছে। যারা ঢাকায় আছে তাদের কারো কারো দিন কাটছে অনেকটাই খেয়ে না খেয়ে।

 

শ্রমিকরা বলছেন, টাকার অভাবে ছেলে-মেয়েদের গ্রামের বাড়ি পাঠিয়েছি। কেউ কেউ বলছেন, লকডাউনের জন্য গ্রামের বাড়িও যেতে পারছি না। আবার অনেকে বলছেন, দুই বেলা খাইলে একবেলা না খেয়ে থাকি।

 

গবেষণা সংস্থা সানেমের জরিপে দুই বছরের ব্যবধানে দেশে দারিদ্র্যের হার দ্বিগুণ বেড়ে হয়েছে ৪২ শতাংশ। আর সিপিডির তথ্য মতে, দেশের ১৬ শতাংশ মানুষের আয় কমেছে, ভাঙতে হয়েছে সঞ্চয়।

 

 

 

সিডিপির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বলছেন, প্রান্তিক মানুষদের জন্য সাহায্যের প্যাকেজ চালুর ঘোষণা দেয়ার প্রয়োজন ছিল। সেই জায়গায় এখনও খুব ধীরগতিতে এগুচ্ছি আমরা।

 

 

 

লকডাউনে নিম্নআয়ের মানুষের তালিকা তৈরি করে দ্রুত সহযোগিতা নিয়ে পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ বিশ্লেষকদের।

 

সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন আরটিভি নিউজকে বলেন, প্রত্যেক শ্রমজীবীর পাশে রাষ্ট্রের দাঁড়ানো দরকার। তাদের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা দরকার, খাদ্য সহায়তা দরকার এবং পাশাপাশি তারা যেন করোনা পরবর্তীতে আবার কাজে ফিরতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় পুঁজি সরবরাহ করা দরকার।

 

 

পাশাপাশি বিপর্যস্ত দরিদ্র মানুষদের সহায়তায় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর পরিধি আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Sharing is caring!