• ২৬শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:২৩
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

করোনার বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত জুন ১৪, ২০২১, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ
করোনার বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে জেলা প্রশাসক, পুলিশ  সুপার

যশোর ব্যুরো ##  করোনা সংক্রমন মোকবেলায় লকডাউন ও কঠোর বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি করছেন  জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্যবিভাগের সমন্বিত কার্যক্রম।
রোববার যশোর শহরে কঠোর বিধি নিষেধের চতুর্থ দিনে জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদারের বিপিএম (বার) পিপিএম এর নেতৃত্বে জেলা  প্রশাসন ও  পুলিশের প্রতিটি ইউনিট নিরলসভাবে কাজ করেছে।  যশোরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কমকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগন বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে মাঠ পয্রায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

যশোর সদর ও অভয়নগর পৌর এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই এলাকাগুলোতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রামগঞ্জেও বিভিন্নভাবে সংক্রমণ ঠেকাতে সর্বসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সমন্বিত প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। ১৩ জুন যশোরের দড়াটানায় করোনা সংক্রমণরোধে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা ও সরকারি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আয়োজিত সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার উপরে উল্লেখিত তথ্য জানিয়েছেন।

 যশোর শহরের ব্যস্ততম এলাকা দড়াটানা মোড়ে জেলা পুলিশের কর্মসূচিতে সর্বসাধারণের মধ্যে করোনা সংক্রান্তে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার লক্ষ্যে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।  নেতৃত্ব দেন যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান ও পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম (বার), পিপিএম। এসময় দড়াটানা মোড়সহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রাস্তায় করোনা সংক্রান্তে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সর্বসাধারণের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণে পুলিশি টহল, চেকপোস্ট এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান জানান, করোনা নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সার্বিক জনস্বার্থে সরকার ঘোষিত লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। লকডাউনের আওতামুক্ত প্রতিষ্ঠান ও দোকান ছাড়া কোনো কিছুই খোলা রাখা যাবে না। আগেই মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে, সচেতনও করা হয়েছে। এখন অ্যাকশান শুরু হয়েছে। দোকান খোলা রাখলে দোকানীকে আটক করা হচ্ছে। মোবাইল কোর্ট করে জরিমানাও করা হচ্ছে। সরকার ও স্বাস্থ’্য বিভাগ ঘোষিত বিধি নিষেধ মানতে হবে। লকডাউন মানতে হবে, অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।
পুলিশ সুপার জানান, যশোর শহরে কঠোর বিধি নিষেধ চলছে। গতকাল ৪র্থ দিন অতিবাহিত হয়েছে। লকডাউন ও এই বিধি নিষেধ বাস্তবায়নে জেলা পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্যবিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যবৃন্দ সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি যশোর সদর ও অভয়নগর পৌর এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই সকল এলাকা গুলোতে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের ওই কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি মোহাম্মদ জাহাংগীর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক সার্কেল মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন, যশোর কোতোয়ালির অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ ।

Sharing is caring!