• ২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:৩৭
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

কাবুলে মার্কিন ড্রোন হামলা, ক্ষমা নয় ক্ষতিপূরণ দাবি

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১, ১৪:০৭ অপরাহ্ণ
কাবুলে মার্কিন ড্রোন হামলা, ক্ষমা নয় ক্ষতিপূরণ দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

আফগানিস্তানে কাবুলে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় ভুলবশত ১০ বেসামরিক নাগরিক হত্যার ঘটনা স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পর নিহতের স্বজনরা বলছেন, শুধু ক্ষমা চাওয়াই যথেষ্ট নয়, তারা ঘটনার ন্যায় বিচার দাবি করেন।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতের শোকাহত স্বজনরা অপরাধীকে জবাবদিহির পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন দাবি করেছেন।

গত ২৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সদস্য সন্দেহে কাবুলে একটি গাড়িতে ওই ড্রোন হামলা চালান মার্কিন গোয়েন্দারা। এতে গাড়িটিতে থাকা এজমারাই আহমাদিসহ তিন প্রাপ্তবয়স্ক ও সাত শিশু নিহত হয়। এর আগে ২৬ আগস্ট রাজধানীর হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের বাইরে আইএসের আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৩ মার্কিন সেনাসহ ১৭০ আফগান নিহত হয়।

এদিকে সেদিনের ড্রোন হামলার পর এএফপির সঙ্গে কথা বলেছেন ফারশাদ হায়দারি (২২)। ড্রোন হামলায় নিহত এজমারাই আহমাদি সম্পর্কে তার চাচা। কাবুলে নিজ বাসা থেকে হায়দারি বলেন, হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। মার্কিনদের আফগানিস্তানে আসতে হবে এবং সামনাসামনি ক্ষমা চাইতে হবে। এ ছাড়া তাদের অবশ্যই এ ঘটনার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

হামলায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে হায়দারির ভাই নাসেরও ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের পক্ষে তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তিদের কেউ যে সন্ত্রাসী ছিল না, এটা এখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পরিষ্কার। সারা বিশ্বের মানুষও এখন এটা জানবে। এ সময় তিনি হামলার জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের আটক করে শাস্তির দাবি করেন।

উল্লেখ্য, ড্রোন হামলাটিকে ভুল বলে স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি। হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনও।

তিনি বলেন, নিহত আহমাদির সঙ্গে ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে কোনো সংযোগ ছিল না। হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেয়া যেতে পারে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Sharing is caring!