• ২২শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ১:৪৫
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

কারাবন্দিদের সকালের নাস্তায় থাকবে খিচুড়ি-রুটি-সবজি-হালুয়া

bmahedi
প্রকাশিত জুন ১৬, ২০১৯, ১৭:৫৪ অপরাহ্ণ

মতিয়ার রহমান যুগ্ন এক্সিকিউটিভ এডিটর :-

কারাগারে আড়াইশো বছর ধরে চলা কারাবন্দিদের সকালের নাস্তার মেন্যুতে পরিবর্তন এলো। ব্রিটিশ আমলে বন্দিদের জন্য নির্ধারিত রুটি-গুড়ের বদলে দেওয়া হবে এ মুখরোচক খাবার।
প্রাতঃরাশে বন্দিরা সপ্তাহে দু’দিন ভুনা খিচুড়ি, চারদিন সবজি-রুটি এবং বাকি একদিন হালুয়া-রুটি পাবেন। এখন থেকে কারাবন্দিদের নাস্তার জন্যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে জন প্রতি ৩০ টাকা।
রবিবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পরিবর্তন আনেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
কারা সূত্র বলছে, দেশের কারাগারগুলোতে কয়েদিদের সকালের নাস্তায় রুটি ও গুড় দেওয়া হতো। ইংরেজ শাসনামল থেকে নাস্তায় এই একই মেন্যু পেয়ে আসছিলেন কয়েদিরা। শেষ পর্যন্ত সেই মেন্যুতে পরিবর্তন এলো। এখন থেকে তাদের নাস্তার মেন্যুতে থাকবে খিচুড়ি, রুটি, সবজি, হালুয়া।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজ থেকে সারাদেশের সব কারাগারে এই খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। খাবারের মান যেমন বেড়েছে, তেমনি পরিমাণও বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কারাবন্দিদের সুস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে নাস্তার মেন্যুতে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, আগে কারাগারে বন্দিরা খেতেই পারত না। এখন তাদের জন্য মান অনুযায়ী পর্যাপ্ত খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। প্রায় শত বছরের রীতি ভেঙে এই কাজ করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বন্দীরা কারাগারে থেকে মানসিক প্রশান্তি পেলে তাদের অপরাধ প্রবণতা কমবে। কারাগার হচ্ছে সংশোধনাগার। কারাগারে বন্দীদের চাহিদা অনুযায়ী ৩৮টি ইভেন্টে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফলে কারাবন্দীরা মুক্তির পর পুনরায় অপরাধে না জড়িয়ে সংশোধনের সুযোগ পায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা, উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন) টিপু সুলতান, ঢাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেরানীগঞ্জ সার্কেল রামানন্দ সরকার, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহে এলিদ মাইনুল আমীন প্রমুখ।

Sharing is caring!