• ৫ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:০৭
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে রাজপথে সক্রিয় হতে হবে—-অধ্যাপক নার্গিস বেগম

bmahedi
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ণ
মাহবুবুল আলম টিটো ।। 

যশোর জেলা বিএনপির আহবায়ক বিশিষ্ট শিাবিদ অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেছেন, শুধুমাত্র প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই বেগম খালেদা জিয়াকে ফরমায়েশি রায়ে সাজা দেয়া হয়েছে। আমরা গত কয়েক বছর ধরে চেষ্টা করেছি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ও আইনগতভাবে তাঁকে মুক্ত করতে। কিন্তু ভোটারবিহীন নির্বাচন করে এ সরকার নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের সব পথ রুদ্ধ করেছে। তাই আর নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন নয়, যে কোন মূল্যে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলতে নেতাকর্মীদের রাজপথে সক্রিয় হতে হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল নেতাকর্মীর নামে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধন চলাকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শহরের লালদিঘী পাড়স্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে সকাল ১০ টায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, থানা বিএনপির সভাপতি নূর-উন-নবী, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুনীর আহম্মেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম প্রমুখ।
অধ্যাপক নার্গিস বেগম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে দম্ভ করে বলেন, আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি করিনা। প্রতিহিংসার রাজনীতি করলে বিএনপি অনেক আগেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতো। তিনি বলেন, বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার মতা কারো নেই। শত নির্যাতন নিপীড়নের পরও বিএনপি আজ জনগণের মাঝে বেঁচে আছে। এ দলের নেতাকর্মীরা যেকোন প্রতিকূল অবস্থায় জনগণের পাশে থেকে লড়াই করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, অনেক হয়েছে, আর নয়, এখন থেকে আমাদেরকে রাজপথে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য নেতাকর্মীদের মাঠে নামতে হবে। সামনে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা আসছে। ওই আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে অন্ধকার কারাগার থেকে মুক্ত করতে হবে। তবেই দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা মুক্তি পাবে।
মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দের মধ্যে অংশ নেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য গোলাম রেজা দুলু, প্রফেসর গোলাম মোস্তফা, আলহাজ মিজানুর রহমান খান, এ কে শরফুদ্দৌলাহ্ ছোটলু, নগর বিএনপির সভাপতি মারুফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, সিরাজুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি এসএম মিজানুর রহমান মিজান, কেন্দ্রীয় মহিলাদল নেত্রী ফেরদৌসি বেগম, জোসনা আলীম, এহসানুল হক সেতু, প্রভাষক ইবাদত হোসেন, সাবেক যুবদল নেতা হাসিব চৌধুরী, শামীম হোসেন বাদল, নুর ইসলাম বুল্লা, জেলা যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমীর ফয়সাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হায়দার রানা, জেলা তাঁতীদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক মাসুদুর রহমান মাসুদ, সদর উপজেলা যুবদল নেতা ইদ্রিস আলী, আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক ছাত্রদল নেতা ফারুক হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনেওয়াজ ইমরান, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন লিটন সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরাম যশোর জেলা শাখার আহবায়ক আরিফুজ্জামান সাইলেন্ট, যুগ্ম-আহবায়ক শরিফ বিশ্বাস, সবুজ হোসেন খান, আব্দুর রহিম, আকরাম হোসেন প্রমুখ।

Sharing is caring!