• ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:৫৫
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

পানশিরে ৬০০ তালেবান নিহত: এনআরএফ

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৫, ২০২১, ১৪:১১ অপরাহ্ণ
পানশিরে ৬০০ তালেবান নিহত: এনআরএফ

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় পানশির উপত্যকায় তালেবানের প্রায় ৬০০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে বিদ্রোহী ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (এনআরএফ) গতকাল শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দাবি করেছে। রাশিয়ার গণমাধ্যম স্পুটনিকের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএনআই এই তথ্য জানিয়েছে।

তবে এই দাবি খরিজ করে পানশিরের একটি প্রদেশ ও বেশ কয়েকটি জেলা দখলের দাবি করেছে তালেবান।

এনআরএফ মুখপাত্র ফাহিম দাস্তি এক টুইটে বলেন, ‘পানশিরের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৬০০ তালেবান নিহত হয়েছে। এক হাজারের বেশি তালেবান আটক হয়েছে বা আত্মসমর্পণ করেছে।’ এর আগেও তালেবানের ৩০০ যোদ্ধা নিহত হয়েছিল বলে দাবি করেছিল উত্তরের এই জোট।

এনআরএফের মুখপাত্র আরও জানান, আফগানিস্তানের অন্যান্য প্রদেশ থেকে রসদ পাওয়ার ক্ষেত্রে তালেবান সমস্যায় আছে।

তবে সেই দাবি খারিজ করে তালেবান পাল্টা দাবি করেছে, পানশিরের বাজারাক প্রদেশ ও সেখানকার গভর্নরের দফতর তারা দখল করে নিয়েছে। সংবাদ সংস্থা আসাবাকার কাছে তালেবানের এক মুখপাত্র বিলাল করিমি দাবি করেছেন, আনাবা, খিঞ্জ, উনাবসহ বেশ কয়েকটি জেলাতেও ঢুকে পড়েছেন তাদের যোদ্ধারা।

এদিকে তালেবানের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে, পানশিরের দখল নিতে লড়াই অব্যাহত আছে। কিন্তু এনআরএফের বিরুদ্ধে তালেবানের আক্রমণের গতি কমে গেছে। কারণ এলাকাটির সড়কে ভূমি মাইন রয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, শনিবার রাত থেকেই তালেবানের সাথে লড়াই চলছে উত্তরের জোটের। আজ রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে সেই লড়াই আরো জোরদার হয়। এছাড়া বেশ কয়েকটি জেলায় দু’পক্ষের মধ্যে লড়াই চলছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

তালেবান কাবুল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর এই পার্বত্য এলাকায় এনআরএফ গড়ে তোলা হয়। স্থানীয় নেতা আহমেদ মাসুদের নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়াদের সঙ্গে আফগান সামরিক বাহিনীর কমান্ডারদের একাংশ মিলে এই ফ্রন্ট গঠন করা হয়েছে।

৩২ বছর বয়সী মাসুদ পানশিরের প্রয়াত গেরিলা কমান্ডার আহমদ শাহ মাসুদের ছেলে। কয়েক দশক আগে সাবেক সোভিয়েত বাহিনী ও পরে (১৯৯৬-২০০১) তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াই করে ‘পানশিরের সিংহ’ বলে পরিচিতি পেয়েছিলেন আহমদ শাহ মাসুদ।

Sharing is caring!