পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা

48
বাবলুর রহমান ## আমদানি ছাড়পত্রের (আইপি) মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে রমজান মাসের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বন্দরের আমদানিকারকরা।
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বরাদ্দকৃত পুরনো সব আইপির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত বুধবারই হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকদের আইপির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ওইদিন সাতটি ট্রাকে ১৭৩ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজ আমদানি করা হয়নি। এদিকে বন্দরের আমদানিকারকদের গুদাম ঘুরে দেখা গেছে, প্রত্যেক গুদামেই পেঁয়াজ মজুদ আছে।  আমদানীকৃত পেঁয়াজ ২৫-২৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য নেয়া আইপির মেয়াদ বৃহস্পতিবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বুধবারই আইপির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। আমরা নতুন করে পেঁয়াজ আমদানির জন্য আবেদন করে রেখেছি। অনেক দিন আগে আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত নতুন কোনো আইপি ইস্যু করা হয়নি। ঈদের আগে হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। ফলে ঈদের আগে ভারতীয় পেঁয়াজের বাজারদর ৪০ টাকায় এবং দেশী পেঁয়াজের দাম ৫০ টাকায় উঠে যাবে। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানির জন্য আইপি ইস্যু করার দাবি জানান আমদানিকারকরা।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, পেঁয়াজের যেসব আইপি ইস্যু করা ছিল, বৃহস্পতিবার সেগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা বন্ধ হয়ে গেছে। পেঁয়াজ আমদানির জন্য মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নতুন আইপি ইস্যু করা হয়নি।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, গত বুধবার বন্দর দিয়ে সাতটি ট্রাকে ১৭৩ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হলেও বৃহস্পতিবার বন্দর দিয়ে ভারত থেকে কোনো পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেনি। আপাতত বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হবে না।