• ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৩৪
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

বন্যা পরিস্থিতি ভয়ানক রুপ নিয়েছে টাঙ্গাইলে

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত আগস্ট ২৯, ২০২১, ২০:০০ অপরাহ্ণ
বন্যা পরিস্থিতি ভয়ানক রুপ নিয়েছে টাঙ্গাইলে

নজরুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি।। উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণের ফলে টাঙ্গাইলে যমুনা, ধলেশ্বরী, ঝিনাই নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পানি বৃদ্ধির ফলে টাঙ্গাইল সদর, ভূঞাপুর, কালিহাতী, নাগরপুর, বাসাইলসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। সেই সাথে শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। তলিয়ে যাচ্ছে আমন ধান ও রাস্তা-ঘাট। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ।পরিস্থিতি ভয়াবহ বন্যার দিকে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গেলো ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ও ঝিনাই নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে জেলার ভুঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভালকুটিয়া-চিতুলিয়াপাড়া এলাকায় দেখা গেছে, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই দুটি এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু বসতভিটা ও মসজিদের একাংশ ভেঙে নদী গর্ভে চলে গেছে।  স্থানীয় লোকজন ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া একই ইউনিয়নের ভালকুটিয়া-গোবিন্দাসী সড়কের কষ্টাপাড়া এলাকায় বন্যার পানির তীব্রস্রোতে পাকা সড়ক ভেঙে গেছে। এতে করে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী তীরবর্তী এলাকায় ঘরবাড়ি প্লাবিত হওয়ায় অনেকেই গবাদিপশু নিয়ে উঁচু সড়কের ঢালে আশ্রয় নিয়েছেন। বসতভিটায় পানি ওঠায় বন্যাদুর্গতরা বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকটের মধ্যে পড়েছেন। তবে এখনও কোন সরকারী-বেসরকারী  সহযোগীতা পাননি তারা।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, যমুনাসহ জেলার বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে ভাঙন দেখা দিয়েছে বিভিন্ন গ্রামে। যেহেতু পানি বৃদ্ধি পেয়েছে সেহেতু ভাঙন নিরুপণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পানি কমে গেলে ভাঙনরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি বলেন, আজ থেকে বন্যায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়াও মেডিকেল টিম কাজ করছে।

Sharing is caring!