• ২রা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:৩১
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

বাক-প্রতিবন্ধী জামাইকে পেটালেন শশুর

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত অক্টোবর ১৮, ২০২১, ১৬:৩৩ অপরাহ্ণ
বাক-প্রতিবন্ধী জামাইকে পেটালেন শশুর
মোস্তাফিজুর রহমান, লালমনিরহাট প্রতিনিধি ।।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় শশুর বাড়ি থেকে স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শশুরের হাতে মারধরের শ্বীকার হয়েছেন রেজাউল করিম (২৪) নামে এক বাক প্রতিবন্ধী যুবক। আহত ওই যুবক বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ ঘটনায় গত শনিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে ভুক্তভোগীর বাবা হালিবর রহমান বাদী হয়ে ২ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এর আগে ১৫ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার পূর্ব বিছনদই এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

যুবককে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার পূর্ব বিছনদই এলাকার কালুর ছেলে ও ওই যুবকের শশুর বাবলু(৫০) এবং বাবলুর মেয়ে কেমি বেগম(২১)। আহত রেজাউল করিম উপজেলার টংভাঙ্গা এলাকার হালিবর রহমানের ছেলে। রেজাউল করিম একজন বাক প্রতিবন্ধী।

জানা গেছে, রেজাউল করিম ও স্ত্রী কেমি বেগমের মাঝে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেড়ে গত ৮ অক্টোবর কেমি বেগম রাগ করে বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরে রেজাউল তার স্ত্রীকে আনতে শশুর বাড়িতে যায়। এ সময় তার শশুর বাবলু রেজাউলের চাড়ও হয়ে অতর্কিত ভাবে মারধর শুরু করে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করান।

উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, মারধরের শ্বীকার আহত ওই যুবক হাসপাতালের বেডে শুয়ে ব্যাথার যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে। এ সময় তার বাবা হালিবর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে আমার ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হয়। সেই রাগে আমার ছেলের বউ বাপের বাড়ি চলে যায়। পরে আমার ছেলে তাকে আনতে গেলে তার শশুর অতর্কিত ভাবে মারধর করে। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত বাবলু বলেন, আমি কোন মারধর করিনি। ওরা অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা। উল্টো ওই ছেলে আমার মেয়েকে মেরেছে।

হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শহিদুল ইসলাম বলেন, রেজাউল করিমকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। সে এখন অনেকটা সুস্থ্য।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, এ নিয়ে তদন্ত চলছে ,তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 বার্তাকণ্ঠ /এন

Sharing is caring!