• ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:০৬
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

বিয়ের দাবিতে ১১ দিন প্রেমিকের বাড়িতে ছাত্রী, আত্মহত্যার হুমকি

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১, ২২:৫১ অপরাহ্ণ
বিয়ের দাবিতে ১১ দিন প্রেমিকের বাড়িতে ছাত্রী, আত্মহত্যার হুমকি

মোস্তাফিজুর রহমান,লালমনিরহাট ।।

লালমনিরহাট পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বাংলাবাড়ি এলাকার প্রেমিক আনিছুর রহমান লেলিন (২৩) বাড়িতে ১১ দিন ধরে অবস্থান করছেন প্রেমিকা দশম শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার পর থেকে লাপাত্তা রয়েছে প্রেমিক। এ ঘটনায় প্রেমিক ও প্রেমিকার পরিবার থানায় অভিযোগ করেছেন।  জানা গেছে, উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বাংলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা নুর ইসলামের ছেলে আনিছুর রহমান লেলিন। পাটগ্রাম পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের শিক্ষার্থী প্রেমিকার সাথে গত ৩ বছর থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেন। এক পর্যায়ে প্রেমিকার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেন লেলিন। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সম্পর্ক অস্বীকার করে প্রেমিক (লেলিন)। এ ঘটনায় গত ২৭ আগস্ট প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে উঠে প্রেমিকা। প্রেমিকার দাবি বাড়িতে যাওয়ার পর বাড়ির পেছন দিয়ে পালিয়ে যায় প্রেমিক। সে থেকে প্রেমিকের ফিরে আসার অপেক্ষায় তাঁর (প্রেমিকের বাড়িতে রয়েছেন প্রেমিকা।

প্রেমিকের বাবা নুর ইসলাম ও মা রুবিনা বেগম বলেন, ‘ছেলে যেহেতু ভুল করেছে। আমরা মেনে নিয়েছি। ছেলে যদি বিয়ে করে আমাদের কোনো আপত্তি নাই। মেয়ের পরিবারের লোকজন আমাদেরকে ভয় দেখায়। আমরা থানায় একটি অভিযোগ করেছি।’

অবস্থান নেয়া  প্রেমিকা (২০) বলেন, ‘আমার জীবন শেষ করে দিয়েছে লেলিন। তাঁকে তাঁর পরিবারের লোকজন ভাগিয়ে দিয়েছে। আমি তো মেয়ে, আমার কী হবে। আমি খুব স্বাভাবিকভাবে বলছি আমার বিয়ে না হলে আমি আত্নহত্যা করব।’

প্রেমিক আনিছুর রহমান লেলিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি চট্টগ্রামে আছি। আমার সাথে ওই মেয়ের কয়েকদিন আগে পরিচয়। বন্ধুর বোন হিসেবে কথা বলেছি। ওই মেয়ে যা বলেছে সব মিথ্যা। ষড়যন্ত্র করে মেয়েটিকে আমাদের বাড়িতে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন এ বিষয়ে ‘উভয় পক্ষ থেকে থানায় দুইটি অভিযোগ দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধিন রয়েছে।’

Sharing is caring!