বেনাপোলে বাংলাদেশে প্রথম “বিকম” সফটওয়্যার উদ্বোধন

60
নজরুল ইসলাম ## আমদানি রফতানি বানিজ্যকে গতিশীল, রাজস্ব ফাঁকি রোধ ও শুল্কায়নে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে “বিকম” নামে একটি নতুন সফটওয়্যার উদ্বোধন করেছে বেনাপোল কাস্টমস হাউস। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর এ প্রথম বেনাপোল কাস্টমস হাউসই একমাত্র ডিজিটাল কাস্টম হাউসে উন্নীত হলো।

 

কাস্টমস সুত্র জানায়, আমদানি-রফতানি পন্যবাহী ট্রাক ও পন্যের তথ্য সংগ্রহ করতে জিরোপয়েন্টে ইতিপূর্বে কার্গো শাখায় কাস্টমস ,বন্দর ও বিজিবি যৌথভাবে এনট্রি করতো। ফলে একটি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করতে সময় লাগতো ৩০ মিনিট। বর্তমানে বিকম সফটওয়্যারের মাধ্যমে বারকোড ব্যবহার করায় সময় লাগছে মাত্র ৫ মিনিট। বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাক পণ্য আমদানি হয় ভারত থেকে। ভারতীয় এসব ট্রাকের অবস্থান ও কোন শেডে পন্য আনলোড হচেছ তা মুহুর্তেই জানা যাচ্ছে বিকমের মাধ্যমে। আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্ট’র ঝুকিপূর্ন পণ্যের ঝুকি বিশ্লেষন দ্রুত সম্ভব। দেশের যে কোন স্থানে অবস্থান করেও আমাদনি রফতানি পণ্যবাহি ট্রাকের সুনির্দিস্ট স্থান নির্ণয় করা যাচ্ছে।
মুহুর্তেই জানা যাচেছ, বাকেয়া রাজস্ব, ব্যাংক গ্যারান্টি , আন্ডারটেকিং ও সিএন্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স এর সকল তথ্য একযোগে যে কোন অফিসার জানতে পারছেন।

 

বেনাপোল কশিশনার আজিজুর রহমানের নির্দেশে অতিরিক্ত কশিনার ড. নেয়ামুল ইসলামের একক প্রচেস্টায় বাংলাদেশে এই প্রথম কাস্টমস হাউসে বিকম সফটওয়্যার তৈরী করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ১৫ টি মডিউলের মাধ্যমে আমাদনি রফতানি বানিজ্য গতিশীল, শুলায়নে স্বচ্ছতা ও প্রতিদিন পাসপোর্ট যাত্রীদের যাতায়াত মনিটরিং, চোরাচালানী পন্য আটক সহ কাস্টমস ও বন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষন করছেন কমিশনার , অতিরিক্ত কমিশনার সহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। বন্দরের গুদামে সংরক্ষিত বাজেয়াপ্ত মালামাল সমুহের অবস্থান নিশ্চিত করা। পণ্যের রাসায়নিক পরীক্ষার ফলাফল জালিয়াতি করা সম্ভব নয় এ ধরনের সপটওয়্যারে। ঝুকিপূর্ণ রাসায়নিক পন্য ডিটেক্ট করা সম্ভব দ্রুত।