• ২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:০৩
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

বেনাপোলে মোবাইলের জন্য খুন হয় স্কুলছাত্র ওমর ফারুককে

bmahedi
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ণ
মো: হাফিজুর রহমান ।।

যশোর বেনাপোলের সরবাংহুদা গ্রামের স্কুলছাত্র ওমর ফারুক হত্যা মামলায় ৫জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে সিআইডি পুলিশ। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় আটক তিনজনের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে।মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল লতিফ।

অভিযুক্ত আসামিরা হলো- বেনাপোলের দূর্গাপুর গ্রামের শাহাজামাল হোসেন কালুর ছেলে সাইফুল ইসলাম ওরফে মীর জামাল, আনছার আলী চৌকিদারের ছেলে রায়হান, বেনাপোল কলেজপাড়ার আলমগীর হোসেন ভুঁইয়ার ছেলে রাজিব, মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে ইকবাল হোসেন ও পোড়াবাড়ি কেলোকান্দা গ্রামের শের আলীর ছেলে আসলাম ওরফে ইসলাম।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ওমর ফারুক কুদলারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিলো। ২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওমর ফারুক গরুর খাবার দিচ্ছিলো।

এ সময় তার মোবাইলে কল আসলে কথা বলে মাকে জানিয়ে সাইকেল নিয়ে বাইরে চলে যায়। রাতে বাড়ি না ফেরায় এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয় স্বজনরা। পরদিন সকালে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে মানকিয়া গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে ওমর ফারুকের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে নিহতের বাবা হায়দার আলী বাদী হয়ে অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে সিআইপি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়।

মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ওরর ফারুকের একটি দামি মোবাইল ছিল। মোবাইলটি তার সহপাঠীদের পছন্দের ছিল। তার ফোনটি নেয়ার জন্য আসামিরা ষড়যন্ত্র করতে থাকে। ঘটনার পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ডেকে নিয়ে মোবাইল ফোনটি তারা কেড়ে নেয়।

এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ওরম ফারুকে ধাক্কা দিয়ে ধানক্ষেতে ফেলে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তারা পালিয়ে যায়।এ মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও স্বাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়ায় ওই পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় ইদ্রিস আলী, নুরমান আলী ও মেহেদী হাসানের অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে। চার্জশিটে অভিযুক্ত চারজনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

Sharing is caring!