• ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:১৯
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে রেফারেন্স ফর্ম জাল করে যাত্রী পারাপারের অভিযোগ

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১, ১৪:১১ অপরাহ্ণ
বেনাপোল ইমিগ্রেশনে রেফারেন্স ফর্ম জাল করে যাত্রী পারাপারের অভিযোগ
বেনাপোল প্রতিনিধি।। 
বেনাপোল ইমিগ্রেশনে একটি চক্র রেফারেন্স ফর্ম জাল করে যাত্রী পারাপার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে চক্রটি এ কাজ করে আসছে। তারা ভারত ফেরত বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে না পাঠিয়ে মূল কাগজপত্র ফটোকপি ও সিল জাল করে বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছে সিন্ডিকেট চক্র।
রবিবার  বিকালে মূল রেফারেন্স ফর্মের ফটোকপি ও জাল সিলসহ একটি রেফারেল ফর্ম উদ্ধার করেছেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা। যার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় তিনি মিরা রানী সাহা। তার পাসপোর্ট নম্বর বিএন-০৬৩৩৯২৫।পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সরে পড়ে সিন্ডিকেট সদস্যরা। তবে এ সিন্ডিকেট সদস্যদের সাথে হাসানুজ্জামান নামে স্বাস্থ্য কর্মী জড়িত বলে অনেকেই জানিয়েছেন। তাদের দাবি যদি ওই স্বাস্থ্য কর্মিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তালে বেরিয়ে পড়বে থলের বিড়াল।
উল্লেখ্য গত পাঁচ মাস আগে স্বাস্থ্য কর্মি হাসানুজ্জামানকে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য দফতর থেকে বদলি করার পর ও তিনি ওই দফতরে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জানা যায়, পাসপোর্ট যাত্রীদের ডাবল টিকা, ক্যান্সার,কিডনি রোগী ছাড়া যে সমস্থ রোগীদের ডাবল টিকা দেওয়া নেই তাদের কাছ থেকে সিন্ডিকেট চক্রটি ১৫ থেকে২০ হাজার টাকা নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের সহযোগীতায় রেফারেন্স ফর্ম জাল করে প্রাতিষ্ঠানিক কোরেন্টাইন না পাঠিয়ে বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে।
চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এদিন দায়িত্বে ছিলেন ডাঃ আবু তাহের,স্বাস্থ্য কর্মী হাসানুজ্জামান, মাহবুব ও প্রমিলা।
 এ ব্যাপারে ইমিগ্রেশনের স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত ডা. আবু তাহের জানান, বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলীফ রেজা ইমিগ্রেশনে এসে পাসপোর্ট যাত্রী মিরা রানী সাহার রেফারেন্স পত্রটি যাচাই বাছাই করতে গিয়ে জাল প্রমাণ হয়। যার পাসপোর্ট নম্বর বিএন-০৬৩৩৯২৫। জাল সনদে সিলও স্বাক্ষরের সাথে আমাদের স্বাক্ষরের কোন মিল নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে সনদটি বাহিরে থেকে ফটোকপি করা হয় সেখান থেকেও জাল হতে পারে।

Sharing is caring!