• ২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ২:৪৮
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

মুক্তিযুদ্ধের সনদ ছেঁড়া মানে বাংলাদেশকে ছিঁড়ে ফেলা: কাদের সিদ্দিকী

bmahedi
প্রকাশিত নভেম্বর ২৫, ২০১৯, ২১:০১ অপরাহ্ণ
আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান :=

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসা নথি থেকে মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম ওই মুক্তিযোদ্ধাকে সোমবার দেখতে গিয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তি দাবি করেছেন।

এ সময় তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা বিছানায় চিকিৎসারত একজন মুক্তিযোদ্ধার সনদ ছিঁড়ে ফেলে ওই ডাক্তার অমার্জনীয় অপরাধ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধার সনদ ছিঁড়ে ফেলা মানেই বাংলাদেশকে ছিঁড়ে ফেলা।

পরে জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কাদের সিদ্দিকী ওই ডাক্তারকে গ্রেফতার এবং শাস্তির দাবি জানান।টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, কালিহাতী উপজেলার মহেলা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো. শাজাহান ভূঁইয়া তার পায়ের হাড় ফেটে যাওয়ায় গত ১৭ নভেম্বর চিকিৎসা নিতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মুক্তিযোদ্ধা শয্যায় ভর্তি হন। গত ২১ নভেম্বর অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ কায়সার রোগীকে চিকিৎসা দিতে যান।

এ সময় রোগীর চিকিৎসা নথিতে রাখা মো. শাজাহানের মুক্তিযুদ্ধের সনদ দেখে তিনি নার্সকে বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সনদ এখানে কেন। তিনি সনদটি ফাইল থেকে টান দিয়ে খুলে রোগীর বিছানায় রাখেন। খোলার সময় সনদটির কিছু অংশ ছিঁড়ে যায়।এ ঘটনায় সোমবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানান, এ ঘটনায় হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সদর উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে ডা. শহীদুল্লাহ কায়সার জানান, তিনি মুক্তিযোদ্ধার সনদ ছিঁড়েননি। পেশাগত, সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে হীনস্বার্থ উদ্ধারের জন্য একটি চক্র তাকে সামাজিকভাবে তার সম্মান ক্ষুণ্ণ করতে তিলকে তাল করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

Sharing is caring!