• ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:৫৮
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

রাজবাড়ীতে বিলে দেখা মেলে শতশত পাতি হাঁস

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত অক্টোবর ২৪, ২০২১, ২১:৩৯ অপরাহ্ণ
রাজবাড়ীতে বিলে দেখা মেলে শতশত পাতি হাঁস
রাজবাড়ী প্রতিনিধি।। 
রাজবাড়ীতে বিভিন্ন বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ে এখনও দেখামিলে শতশত পাতি হাঁস।  বিল ও ঝিলের জলে ফুটন্ত  শাপলা ,পদ্ম ও কোলমি। স্বাধীন মনে শতশত পাঁতি হাঁস দলবদ্ধ হয়ে  মুক্ত জলাশয়ে  অবাধ বিচরন। দিনে রাতে মাছ শিকার করতে জাল,পলো, বরশি নিয়ে বিলের প্রানে ছুটা ,বিলের জলে ডিঙ্গী নৌকা বেয়ে এ বিল থেকে ঐ বিলে যাওয়া।
এক সময়  আমাদের দেশে বর্ষা মৌসুমে  গ্রাম বাংলার চিরচেনা রুপ ছিল এটি কিন্তু এখন কালের বিবর্তনে প্রায় হারিয়ে গেছে সেই রুপ।
প্রকৃতির এসকল অপূর্ব রুপ দেখে মানুষ মুগ্ধ হতো । কবি সাহিত্যকরা তাদের লেখনিতে ফুটিয়ে তুলতো গ্রামীন জীবন চিত্র ও প্রকৃতির  অপূর্ব সুন্দর রুপ। আগে আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ  পরিবার তাদের খাদ্য  ও  অার্থিক চাহিদা মেটানোর জন্য হাঁস পালন করতো, আর  বেশীর ভাগ মানুষকে হঁাস পালনে খাবার, চালানোর জন্য বারতি তেমন কিছু করতে হতোনা, উন্মুক্ত জলাশয়েই অবাধে বিচরন ও প্রাকৃতিক খাবার খেয়েই বড় হত পাতি হাঁস সন্ধ্যা হলে ঘরে ফিরতো।
জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টি পাত কমে যাওয়ায় পাশাপাশি মানুষের দ্বারা কৃত্তিম পরিবর্তনের ফলে বীল, ঝিল সহ বিভিন্ন জলাশয়ের চিত্র এখন পাল্টে গেছে।
শুকিয়ে যাওয়াসহ অনেক উন্মুক্ত জলাশয় দখলের ফলে বীলে এখন আর হাঁস পালন করা সম্ভব হয়না। এতো প্রতিকুলতার মধ্যে কালুখালীর পদ্মর বিল, বালিয়াকান্দি, ছাই ভাঙ্গা, মাশালিয়া, পাকুরিয়ার বিল, পাংশার,মহিষার বিল, রাজবাড়ী সদরের বিল বারাশি, গোয়ালন্দের কুটির বিলসহ যেসকল  বিলে এখনও মুক্ত জলাশয় রয়েছে সেখানে অনেকেই হাঁস পালন করে। মুক্ত জলাশয়ে হাঁস পালনে  বেশী লাভবান হওয়া যায়, কারন হাঁসের খাদ্য ও জলাশয়ে  চলাচলের জন্য তেমন কিছু করতে হয়না বিলের জলাশয়ে থাকা শামুক ঝিনুকসহ প্রাকৃতিন খাদ্যর পাশাপাশি সামান্য কেনা খাবার দিলেই চলে। প্রাকৃতিক খাদ্য গ্রহন ও অবাধে বিচরনের ফলে হাঁসগুলি হিষ্টপুশ্ট হয়। বিলের মুক্ত জলাশয়ে হাঁস পালন লাভবান হওয়ায় অনেক বেকার যুবক অল্প খরচে বিলের মধ্যে খামার করে হাঁস পালন করে লাভবান হচ্ছে।
 বার্তাকণ্ঠ /এন

Sharing is caring!