• ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:০৯
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

রাজারহাটে ভিজিডির চাউল আত্মসাত,চেয়ারম্যান বললেন ষড়যন্ত্র

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত আগস্ট ২৯, ২০২১, ২১:৫৮ অপরাহ্ণ
রাজারহাটে ভিজিডির চাউল আত্মসাত,চেয়ারম্যান বললেন ষড়যন্ত্র
মোশাররফ হোসেন, রাজারহাট(কুড়িগ্রাম)।।রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ভিজিডির চাউল আত্মসাতের অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ওই ইউনিয়নের দশজন ইউপি সদস্য।
 আজ রোববার ২৯শে আগস্ট দুপুরে চাকিরপশার ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে আসেন কুড়িগ্রাম জেলার ডিডিএলজি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জিলুফা সুলতানা। উল্লেখ্য ইউপি সদস্যগনের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৭শে আগস্ট শুক্রবার রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরে তাসনিম ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সাময়িকভাবে পরিষদের গোডাউন তালাবদ্ধ করে দেন। রোববার কুড়িগ্রাম জেলার ডিডিএলজি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জিলুফা সুলতানা ও রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরে তাসনিম ইউনিয়ন পরিষদে তদন্ত করেন । তদন্ত শেষে ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউনের তালা খুলে দেন। এই বিষয়ে ইউপি সদস্য মোসলেম উদ্দিন ও ইউপি সদস্য আবেদ আলী বলেন ভিজিডি ও ভিজিএফ সহ ১১টি সুনির্দিষ্ট অনিয়মের অভিযোগ এনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। তারা বলেন চেয়ারম্যান  ৯জন ভিজিডি কার্ডধারীর নামে ববরাদ্দকৃত ৭২বস্তা চাউল আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও মাসিক মিটিং না করা,করোনা কালীন চাউল আত্মসাতের অভিযোগও করেন।
সরেজমিনে তদন্ত করে পাওয়া যায়,ইউপি সদস্যগনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভিজিডির ৯ সুবিধাভোগীর কথা অভিযোগে উল্লেখ থাকলেও অফিস সুত্রে ৮জন সুবিধাভোগীর তালিকা পাওয়া যায়। আষাঢ়ু মৌজার রহিমা বেগম ভিজিডির ৮বস্তা চাউল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেন। এছাড়াও খুলিয়াতারির রহিমা বেগম ও রাবেয়া বেগম সাংবাদিক কে জানান যে আমরা ভিজিডি কার্ডের বরাদ্দকৃত ৮বস্তা চাউল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পেয়েছি।
ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট,সামনে  নির্বাচন করবো ভেবে আমাকে বেকায়দায় ফেলাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করছে। আমার পূর্ববর্তী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধেও এরুপ অভিযোগ করেছিলো।মাসিক মিটিংয়ের বিষয়ে যে অভিযোগ করেছেন তা মিথ্যা কেননা রেজুলেশনের ইউপি সদস্যগনের সাক্ষর রয়েছে।তাদের অনৈতিক দাবীদাওয়া মেনে না নেওয়ায় আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে ষড়যন্ত্র করছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরে তাসনিম বলেন যেহেতু বিষয় টি তদন্তাধীন রয়েছে তাই তদন্ত শেষ হলে বিষয় টি পরিস্কার হওয়া যাবে।

Sharing is caring!