• ৮ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৫৬
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

রোহিঙ্গাদের ফেরত : মিয়ানমারকে কড়া বার্তা পাঠাবে ইন্দোনেশিয়া

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত নভেম্বর ১৮, ২০২১, ১৩:৪২ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গাদের ফেরত : মিয়ানমারকে কড়া বার্তা পাঠাবে ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

ন্দোনেশিয়া মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে দেশটির কাছে কড়া বার্তা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। এখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতকালে সফররত ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের জন্য মিয়ানমারকে কড়া বার্তা দিতে যাচ্ছি।

রোহিঙ্গারা জোরপূর্বক বিতাড়িত হওয়ার পর তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ তাদেরকে দেখভাল করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটি বাংলাদেশের একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে ব্রিফিং করেন। ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের শুভেচ্ছা জানান।

কোভিড-১৯ মহামারীর উল্লেখ করে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে এই মহামারী মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করেন। ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ)-এর ২১তম মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে ঢাকায় আগত ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী বলেন, তারাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন এবং কঠোর ভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী ড. প্যান্ডোর।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেলসন ম্যান্ডেলা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রাম একই ছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে, উভয় নেতাই অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং উভয়েই দীর্ঘদিন জেল খেটেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত নীল অর্থনীতির বিকাশের জন্য ভারত মহাসাগরকে শান্তিপূর্ণ রাখা। দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকা ফাইজার এবং জনসন এন্ড জনসনের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন তৈরি করছে।

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রী জিএল পেইরিস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অপর এক বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বিশেষ করে অনলাইন সংযুক্ততা, ব্যবসা ও ব্যাংক কার্যক্রম এবং সামাজিক নিরাপত্তা নেটওয়ার্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন। শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষুদ্র সঞ্চয় কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী মহামারী পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশে যে কোনো ধরণের খাদ্য ঘাটতি এড়াতে সরকারের পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা খাদ্য নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছি।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

 বার্তাকণ্ঠ/এন

 

Sharing is caring!