• ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:২৫
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

লালমনিরহাটে জোরপূর্বক সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার অভিযোগ

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১, ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ
লালমনিরহাটে জোরপূর্বক সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার অভিযোগ

 

মোস্তাফিজুর রহমান,লালমনিরহাট।।
লালমনিরহাটে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাবাস্সুম রায়হান মুসতাযীর তামান্না নামে এক কলেজ শিক্ষিকা। তার বসত বাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে দেয়াসহ তাকে ও তার মাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ ওই কলেজ শিক্ষিকার। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি মামলা হলে এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেফতার করতে পারে নাই পুলিশ। তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্না জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা উত্তর বাংলা কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্না তার বৃদ্ধ মাকে নিয়ে ওই উপজেলার কাশীরাম গ্রামে স্থানীভাবে বসবাস করে আসছেন। নিজের নিরাপত্তার জন্য তার বসত বাড়ির চার দিকে কিছু অংশে ইতোমধ্যে সীমানা প্রচীর নির্মাণ করেছেন। সীমানা প্রাচীর নির্মাণের পর থেকে প্রতিবেশী মৃত আফছার আলীর ছেলে মৃদুল মিয়াসহ কয়েকজন অহেতু বাধা প্রদান করেন। প্রায় সময় সীমানা প্রচীর ভেঙে ফেলে দেয়। গত বুধবার রাতে মৃদুল মিয়াসহ ১০/১২ জন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে প্রায় ৯০ হাত সীমানা প্রচীর ভেঙে ফেলে দেয় এবং ওই কলেজ শিক্ষিকা ও তার বৃদ্ধা মাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এমন অভিযোগ তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্নার। এ ঘটনায় কলেজ শিক্ষক তাবাস্সুম রায়হান মুসতাযীর তামান্না বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার ১০ জনকে আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ইতোমধ্যে ওই অভিযোগটি নতিভুক্ত করে আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছেন।
অভিযোগকারী কলেজ শিক্ষিকা তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্নার অভিযোগ, তার বাড়ির সীমানা প্রচীর ভেঙে ফেলার ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ কোনো আসামি গ্রেফতার করছে না। ফলে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আসামিদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজু সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কলেজ শিক্ষক তাবাসসুম রায়হান মুসতাযীর তামান্নার বসত বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলার ঘটনায় তার দায়েরকৃর্ত অভিযোগ ইতোমধ্যে নতিভুক্ত করে আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Sharing is caring!