• ২৫শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:৫২
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

শরণখোলায় মাঠে মাঠে রোপা আমনের সবুজ হাসি

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত অক্টোবর ৭, ২০২১, ১৬:১৫ অপরাহ্ণ
শরণখোলায় মাঠে মাঠে রোপা আমনের সবুজ হাসি
নাজমুল ইসলাম, শরনখোলা বাগেরহাট ।।
শরতের বাতাসে দোল খাচ্ছে দিগন্ত বিস্তৃত রোপা আমন ধানের সবুজ ক্ষেত বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার  বিভিন্ন জায়গায়  এই মনোরম দৃশ্য দেখা যাচ্ছে কাউকে দেখা যাচ্ছে সবুজ আমন ধান ক্ষেত দেখার জন্য ছুটছে ছোট বড় -সকল পেশার মানুষ কেউ আবার ভিডিও করছে শরতের স্মৃতি এই সবুজ ক্ষেত ধরে রাখার জন্য।
উপজেলায়  এবারের মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন চাষিরা।
 শরণখোলা উপজেলার কৃষকরা জানায়,ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এর কারণে আমন ধানের বীজতলা নষ্ট হয় তাতে আমারা অনেক ক্ষতির মুখে পরি তবে এই ক্ষতি কাটিঁয়ে  আমরা এখন আর্শাবাদি ধানের ব্যাপক ফসল আসবে অনুকূল আবহাওয়া এবং রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ না থাকায় সেই সম্ভাবনা জেগেছে।
ধান চাষিরা  আরো উল্লেখ করেন, এ বছর বৃষ্টিপাতের হার বেশি হওয়ায় ক্ষেতে সেচসহ অন্যান্য খরচ তুলনামুলক কম। একইসঙ্গে বৃষ্টির পানির সুবাদে ধানের প্রবৃদ্ধি আশাব্যঞ্জক। ফলনের পর ভালো দাম পাওয়ার ব্যাপারেও আর্শাবাদী চাষিরা।
শরণখোলা উপজেলার  ৪ নং  সাউথখালী ইউনিয়নের  উত্তর সাউথখালী গ্রামের ধান চাষি মোঃ সেলিম হাং এবার তিন বিঘা জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন তিনি বলেন আমরা । বিঘাপ্রতি ৭-৯ হাজার টাকা খরচ হয়েছে আমরা, আশা করছি, প্রতি বিঘায় ১০০-১০২০ মণ ধান পাবো।’
একই এলাকার ধান চাষি মোঃ রিয়াদুল বলেন  বললেন, ‘এবার দুই বিঘা জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি। আমি নিজেই ক্ষেতের পরিচর্যা করি। পাশাপাশি কিছু শ্রমিক নেওয়া লাগে। এ বছর আবহাওয়া আমাদের অনুকূলে থাকায় ধান যথেষ্ট ভালো। আশা করছি, ফলনও ভালো হবে।’
 একই এলাকার ধান চাষি মোঃ ইলিয়াস হেসেন  এবার তিন বিঘা জমিতে ধানের আবাদ করেছেন। তিনিও একই আশার কথা শোনালেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের চেহারা বেশ ভালো।’
৪নং সাউথখালী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম হালিম শাহ বলেন গত ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে আমরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে যায় এবং আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই আমাদের ফসলাদি কেমন হবে তো আমরা এখন  এই দুর্ভোগ কাটিয়ে আমরা এখন আর্শাবাদী যে আমরা ভালো ফলন পাবো।

Sharing is caring!