• ১৮ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:২৮
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

সব দলের ঐকমত্যে নতুন কমিশন হওয়া উচিত : সিইসি

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১, ১৭:৩৬ অপরাহ্ণ
সব দলের ঐকমত্যে নতুন কমিশন হওয়া উচিত : সিইসি

সংগৃহীত ছবি

ঢাকা ব্যুরো ।।

সন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগেই দেশের সবগুলো রাজনৈতিক দলের ঐক্যের ভিত্তিতে নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের পরামর্শ দিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনের ভবনে একটি সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ জবাব দেন সিইসি।

নুরুল হুদা বলেন, পরবর্তী নতুন কমিশন গঠন রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। অবশ্যই এটা হওয়া উচিত। আমি এটাকে সমর্থন করি। যেন নতুন কমিশন সবার সমর্থনযোগ্য হয়, সেরকম একটি কমিশন হওয়া উচিত।

নতুন কমিশন গঠনে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কোনো মতামত থাকে না এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, কমিশনের কাছে সাধারণত মতামত চাওয়া হয় না। যদি চাওয়া হয় তাহলে আমরা কমিশন বসে দেখবো, আমাদের কোনো মতামত আছে কি না।

কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইন তো তৈরি করে সংসদ। আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমাদের আইনগুলো হয়। তাদের কাছ থেকে এ রকম কোনো ইঙ্গিত আসেনি যে, আইন তৈরি করতে হবে কি না। তারা বলেন, সাংবিধানিক যে ব্যবস্থা আছে সে অনুযায়ী করার কথা। এটা আমরা টেলিভিশন, পত্রপত্রিকায় দেখি। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো আলোচনা হয়নি। আইন করার বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।

ঐকমত্য কিভাবে হতে পারে এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, এটা তো রাষ্ট্রপতি করতে পারেন। গতবার তিনি সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। এটা তো রাষ্ট্রপতির বিষয়। সেটা বলতে পারবো না। এটা ওই স্টেজে হতে পারে। আমাদের করণীয় কিছু নেই। ঐকমত্যের বিষয়ে আমাদের কোনো ভূমিকা থাকে না।

তিনি বলেন, সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে ‘আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে’ নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ প্রদানের নির্দেশনা থাকলেও গত ৫০ বছরে কোনো সরকারই এমন একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ইসি মোটেই অনাস্থার জায়গা নয়। জনগণের আস্থা নেই একথা বলা যাবে না, জনগণ তো বলেনি আস্থা নেই। রাজনৈতিক দলের লোকেরা যেটা বলেন, অনেক সময় নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করে তারা বলেন জনগণের আস্থা নেই। যদি আস্থা না থাকে, যেসব নির্বাচন হচ্ছে তাতে উপচেপড়া ভোটার থাকে কীভাবে? লাইন থাকে, ৬০-৮০ শতাংশ লোক ভোট দেয়। এটা আস্থার জায়গা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসির অতিরিক্ত সচিব, এনআইডি উইংয়ের ডিজি ও ইসির অন্যান্য কর্মকর্তারা।

Sharing is caring!