• ৮ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:৫২
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

সীমানা বিরোধ : মামলা তুলে নিতে বাদীকে হত্যার হুমকি

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত অক্টোবর ২৪, ২০২১, ১৬:২৪ অপরাহ্ণ
সীমানা বিরোধ : মামলা তুলে নিতে বাদীকে হত্যার হুমকি

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জে) প্রতিনিধি ।।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মাহনা এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ২৩ অক্টোবর শনিবার রাতে প্রতিবেশিরা ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ব্যাংকার রাসেল ভুঁইয়া বাদি হয়ে রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগেও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় বেশ কয়েকটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
উপজেলার মাহনা এলাকার নাজির উদ্দিন ভুঁইয়ার ছেলে ব্যাংক কর্মকর্তা রাসেল ভুঁইয়ার সাথে পাশের বাড়ির সানোয়ার হোসেন ভুঁইয়ার সাথে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ আদালতে মামলাও রয়েছে। জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগে রূপগঞ্জ থানায় একাধিক জিডি ও প্রসিকিউশন মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা তুলে না নেয়ায় শনিবার রাতে রামদা, খুন্তি, টেটা, বল্লম, লাঠিসোটা নিয়ে রাসেল ভুঁইয়ার বাড়িঘরে হামলা চালায়। এ সময় ঘরের গেইট তালাবদ্ধ থাকায় হামলাকারীরার প্রধান গেইট, নেইম প্লেট ভাংচুর করে। একপর্যায়ে বাড়িতে প্রবেশের সড়কে থাকা ঢালাইও ওপরে ফেলা হয়। উপায়ন্তুর না পেয়ে রাসেল ভুঁইয়া ৯৯৯-এ ফোন করলে রাতেই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ সময় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত থাকাবস্থায় সামসুউদ্দিন ভুঁইয়া হাসুর ছেলে সানোয়ার হোসেন ভুঁইয়া, মোশারফ হোসেন ভুঁইয়া, সানোয়ার হোসেনের স্ত্রী ফরিদা বেগম, মোশারফ ভুঁইয়া স্ত্রী নাজমা বেগম, মেয়ে শাহিনুর আক্তার পালিয়ে যায়। এর আগেও হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রাসেল ভুঁইয়ার উপর হামলা চালায়।
এ ব্যাপারে ব্যাংক কর্মকর্তা রাসেল ভুঁইয়া জানান, প্রতিনিয়ত মামলা তুলে না নিয়ে বাড়িঘর ভাংচুরসহ পরিবারের লোকজনকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। শনিবার রাতে একই কারণে বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। আনুমানিক লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে।
রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএফএম সায়েদ জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। আসামিদের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

 বার্তাকণ্ঠ/এন

Sharing is caring!