• ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:১৬
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

সেতু নির্মাণের দাবি চন্দনাইশের ধোপাছড়ী মানুষের

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত আগস্ট ২৭, ২০২১, ১৭:০৬ অপরাহ্ণ
সেতু নির্মাণের দাবি চন্দনাইশের ধোপাছড়ী মানুষের
ইসমাইল ইমন,  চট্টগ্রাম।।

চট্টগ্রাম শহর হতে ৬০- ৭০ কিলোমিটার দূরে, চন্দনাইশ উপজেলার অন্তর্গত।১৯৭৩ সাল পরবর্তী, দোহাজারী ইউনিয়ন হতে বিভক্ত হয়ে সৃষ্ট ধোপাছড়ী ইউনিয়ন। পাহাড়ি জনপদে ঘেরা পাহাড় নদী খাল পরিবেষ্টিত অপার সম্ভাবনাময় এই ইউনিয়ন। ১৪ হাজার ২ শত ৭৭ বর্গ একরের এই ইউনিয়নে ৩ টি গ্রামে প্রায় ৪০ হাজার জনসাধারণের বসবাস, বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের সংমিশ্রণে উপজাতি ত্রিপুরা মারমা ও কোন সম্প্রদায় নিয়ে গড়ে উঠেছে এখানকার বসতি।
এই ইউনিয়নে একটি উচ্চ বিদ্যালয়,৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ মসজিদ, মাদ্রাসা ও ভিন্নধর্মীদের ধর্মীয় উপাসনালয়ে রয়েছে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে কেরানীহাট হয় বান্দরবান বাজালিয়া সড়কের গাড়ি যুগে শীল ঘাটা সাঙ্গু নদী পার হয়ে, ধোপাছড়ী বাজার ও ইউনিয়ন পরিষদে পৌছাঁতে হয়।
সরেজমিন অনুসন্ধান ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় এলাকাবাসী স্কুল মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের বর্ষা মৌসুমে ধোপাছড়ী ছড়ার উপর স্হানীয় ভাবে নির্মিত বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘ দুই যুগে একাধিক সংসদ সদস্য,৮ জন জন প্রতিনিধি পরিবর্তন হলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ধোপাছড়ি বাঁশের সাঁকোটি পূর্ণাঙ্গ ব্রিজে রূপান্তর করার আশ্বাস পেলে আজও পর্যন্ত তা বাস্তবতার মুখ দেখেনি।
এই বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে শত শত এলাকাবাসীকে পার হয়ে দোহাজারী চন্দনাইশ কিংবা চট্টগ্রামের বিভিন্ন অফিশিয়াল,ব্যাবসায়িক কাজে ও হাসপাতলে যেতে হয়। বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষণে সাঙ্গু নদীর পানি বিপদসীমার উপরে অতিবাহিত হয়ে বর্তমানে এই খালের উপর দিয়ে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। চলাচলের সাঁকোটি প্রায় বিলীন। ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দাদের বসত বাড়ি খালের ভাঙনের মুখে। ইউনিয়ন বাসীর সঙ্গে উপজেলা থানা পর্যায়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে।
বর্তমানে উক্ত ইউনিয়নের এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি অনতিবিলম্বে শুষ্ক মৌসুমে এই খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ করে শক্ত ব্লকের বেড়ি বাঁধ নির্মাণ করে জনসাধারণের যাতায়াত ও বসত বাড়ি র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হোক। এই ব্যাপারে এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

Sharing is caring!