• ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:২০
  • রেজিস্ট্রেশন ৪৬১

 ৯ মাসে মাত্র ১৬৮ দিন হোয়াইট হাউজে ছিলেন বাইডেন

বার্তাকন্ঠ
প্রকাশিত অক্টোবর ২৫, ২০২১, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
 ৯ মাসে মাত্র ১৬৮ দিন হোয়াইট হাউজে ছিলেন বাইডেন
বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক ।।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর গত ৯ মাসে মধ্যে মাত্র ১৬৮ দিন হোয়াইট হাউজে ছিলেন জো বাইডেন। বাকি ১০৮ দিনই তিনি ডেলওয়ারের বাসায়, মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প ডেভিডে কিংবা দূর থেকে কাজ করেছেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, হোয়াইট হাউজে থাকতে নয়, জনগণের কল্যাণে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচিত হয়ে সেখানে যেতে চান তিনি। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তার প্রমাণও পাওয়া গেছে। কর্মদিবস শেষ করেই সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউজ ছেড়েছেন বাইডেন। আবার ফিরেছেন কর্মদিবস শুরুর সময়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম বাংলা প্রেস এ খবর জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউজ প্রাঙ্গণে প্রেসিডেন্টের চলাফেরার নানা বিধিনিষেধ আছে। এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও বাসভবনে সবসময় সাংবাদিক, বিক্ষোভকারী, বিভিন্ন আন্দোলনের কর্মী, আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর ভিড় লেগেই থাকে। প্রেসিডেন্ট তার নিজ শয়নকক্ষে বসেও এসব শুনতে পাবেন। এত গোলমাল কারই বা ভালো লাগে। তাই সময় পেলেই বাইডেন তার ব্যক্তিগত বাসভবনে চলে যান। সেখান থেকে অবশ্য হোয়াইট হাউজের দূরত্ব খুবই অল্প। হেলিকপ্টারে মাত্র ১ ঘণ্টা। হোয়াইট হাউজের চেয়ে নিজ বাসাতেই স্ত্রী, সন্তান, নাতি-নাতনিদের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করেন বাইডেন।
হোয়াইট হাউজে অনুপস্থিত থাকার ক্ষেত্রে বাইডেন ছাড়িয়ে গেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। সময় পেলেই ট্রাম্প ফ্লোরিডা ও নিউ জার্সিতে বেড়াতে যেতেন। এ নিয়ে অনেক সমালোচনাও হয়েছিল। সেক্ষেত্রে কিছুটা ভাগ্যবান বাইডেন। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব শুরুর পর প্রথম ২৭৫ দিনের মধ্যে ১০৭ দিন হোয়াইট হাউজে থাকেননি বাইডেন। ট্রাম্প ছিলেন না ৭০ দিন, বারাক ওবামা ৪০ দিন ও জর্জ ডব্লিউ বুশ ছিলেন না ৮৪ দিন।
বাইডেনের মুখপাত্র অবশ্য জানিয়েছেন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি নিজ বাসা থেকে কাজও করেন বাইডেন। তাছাড়া করোনার এই সময়কালে অনেকেই বাসা থেকেই কাজ করছেন। বাইডেন তার ব্যতিক্রম নয়।
বিভিন্ন সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টদের মুখে শোনা গেছে হোয়াইট হাউজের কড়াকড়া নিয়ে বিতৃষ্ণার কথা। সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান এটিকে আখ্যা দিয়েছেন সাদা খাঁচা নামে। এটিকে খাঁচা বলেছেন সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাও।
বার্তাকণ্ঠ/এন

Sharing is caring!