শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পুলিশে চাকরি হলো সেলুন কর্মচারীর ছেলের

নজরুল ইসলাম ।। ঝিকরগাছা থেকে  :

যশোরের ঝিকরগাছার সেলুন কর্মচারীর ছেলে সাহেব আলী জানতেন না যে তিনি মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য হতে পারবেন। মাত্র ১০৩ টাকায় সাহেব আলী পুলিশে চাকরি পেয়েছেন। তিনি ঝিকরগাছা পৌর সদরের পুরন্দরপুর গ্রামের সেলুন কর্মচারী রবিউল ইসলাম ও গৃহিনী মমতাজ বেগমের পুত্র। এদিকে রোববার বিকেলে ঝিকরগাছা থানা পুলিশের ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক সদ্য নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কনস্টেবল সাহেব আলীর বাড়িতে গিয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) শেখ আবু হেনা মিলন, সেকেন্ড অফিসার এসআই নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
একাধিক সূত্র জানায়, এবারে পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগে যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হকের কঠোর পদপে ও নিরপেতার কারণে সাহেব আলীর মত অনেক গরীব ও মেধাবী কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেয়েছেন। যশোরের ৮ টি উপজেলা থেকে তার মত কৃষক, মজুর, সেলুন কর্মচারী, রিকসাচালকের ছেলে ও মেয়েরা পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরি পেয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যশোর পুলিশ লাইনে গত ২২ জুন হতে ২৬ জুন পর্যন্ত ট্রেইন রিক্রুট কনস্টেবল পদে সাধারণ কোটা পুরুষ ১৬০৬ জন ও নারী ১৯৩ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুরুষ ৯৯ ও নারী ১৫ জন, পুলিশ পোষ্য কোটায় ২৫ জন, আনসার ও ভিডিপি ৫ জন, এতিম কোটা ৭ জনসহ মোট ১ হাজার ৯ শ ৫০ জন শারীরিক পরীায় অংশ নেন। এর মধ্যে শারীরিক পরীায় উত্তীর্ণ হন ১ হাজার ৬৯ জন। পরবর্তীতে গত ২৭ জুন লিখিত ও মোখিক পরীায় ৩ শ ৫৪ জন উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে সাধারণ কোটায় ১ শ ৩৬ জন পুরুষ ও ৬০ জন নারী, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২১ জন পুরুষ ও ২ জন নারী এবং পুলিশ পোষ্য কোটায় ৪ জন পুরুষ তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে বিনা টাকায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হন

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

পুলিশে চাকরি হলো সেলুন কর্মচারীর ছেলের

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০১৯

নজরুল ইসলাম ।। ঝিকরগাছা থেকে  :

যশোরের ঝিকরগাছার সেলুন কর্মচারীর ছেলে সাহেব আলী জানতেন না যে তিনি মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশের গর্বিত সদস্য হতে পারবেন। মাত্র ১০৩ টাকায় সাহেব আলী পুলিশে চাকরি পেয়েছেন। তিনি ঝিকরগাছা পৌর সদরের পুরন্দরপুর গ্রামের সেলুন কর্মচারী রবিউল ইসলাম ও গৃহিনী মমতাজ বেগমের পুত্র। এদিকে রোববার বিকেলে ঝিকরগাছা থানা পুলিশের ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক সদ্য নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কনস্টেবল সাহেব আলীর বাড়িতে গিয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) শেখ আবু হেনা মিলন, সেকেন্ড অফিসার এসআই নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
একাধিক সূত্র জানায়, এবারে পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগে যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হকের কঠোর পদপে ও নিরপেতার কারণে সাহেব আলীর মত অনেক গরীব ও মেধাবী কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেয়েছেন। যশোরের ৮ টি উপজেলা থেকে তার মত কৃষক, মজুর, সেলুন কর্মচারী, রিকসাচালকের ছেলে ও মেয়েরা পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরি পেয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যশোর পুলিশ লাইনে গত ২২ জুন হতে ২৬ জুন পর্যন্ত ট্রেইন রিক্রুট কনস্টেবল পদে সাধারণ কোটা পুরুষ ১৬০৬ জন ও নারী ১৯৩ জন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুরুষ ৯৯ ও নারী ১৫ জন, পুলিশ পোষ্য কোটায় ২৫ জন, আনসার ও ভিডিপি ৫ জন, এতিম কোটা ৭ জনসহ মোট ১ হাজার ৯ শ ৫০ জন শারীরিক পরীায় অংশ নেন। এর মধ্যে শারীরিক পরীায় উত্তীর্ণ হন ১ হাজার ৬৯ জন। পরবর্তীতে গত ২৭ জুন লিখিত ও মোখিক পরীায় ৩ শ ৫৪ জন উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে সাধারণ কোটায় ১ শ ৩৬ জন পুরুষ ও ৬০ জন নারী, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২১ জন পুরুষ ও ২ জন নারী এবং পুলিশ পোষ্য কোটায় ৪ জন পুরুষ তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে বিনা টাকায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হন