শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণে জড়িতদের জামিন না দেয়ার অনুরোধ আইনমন্ত্রীর

আব্দুল লতিফ ।। 

সামাজিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতরা উচ্চ আদালত থেকে যেন জামিন না পায় সে বিষয়ে সবাইকে মনোযোগী হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

রাজধানীর নিবন্ধন অধিদফতর প্রাঙ্গণে বুধবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে কর্মরত জেলা ও দায়রা জজদের নতুন গাড়ির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ অনুরোধ করেন আইনমন্ত্রী।

দেশে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। অনেক সময় আইনের ফাঁকফোকরে অপরাধী ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। এ জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি থাকে এসব বিচার যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়। এ ক্ষেত্রে আপনার কোনো উদ্যোগ থাকবে কিনা জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এসব ঘটনার ক্ষেত্রে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার পর বিজ্ঞ বিচারিক আদালতে এ ধরনের মামলাগুলো বিলম্বিত হয় না।

আপনারা নুসরাতের মামলা দেখছেন এবং আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি এ ধরনের মামলার ক্ষেত্রে পলিশ প্রতিবেদন পাওয়ার পর সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিচার কাজ সম্পন্ন হবে। এখন উচ্চ আদালতের কথা বললে আমাকে বলতেই হয়, এ পরিস্থিতিটা একটু ভিন্ন ধরনের। আমার কাছে অনেক তথ্য আছে যে বিচারিক আদালতে সাজা হয়েছে বা অত্যন্ত সেনসেশনাল মামলা মোকদ্দমায়ও দেখা গেছে যে, উচ্চ আদালতে সেসব আসামিদের জামিন দিয়ে দেয়া হচ্ছে,’বলেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে এটা নিয়ে আলাপ আলোচনা করব। আমি শুধু একটু অনুরোধ করতে পারি যে অপরাধগুলো হচ্ছে আমার মনে হয় সময় এসেছে একটু কঠোর হওয়ার, সময় এসেছে এদের জেলখানায় রাখার। সে ব্যাপারে বিচার বিভাগকে আমি কোনো সুপারিশ বা আদেশ দিচ্ছি না। সামাজিক পরিস্থিতিতে আমি শুধু অনুরোধ করছি, এদিকে যেন সকলের মনোযোগটা হয়।’

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

ধর্ষণে জড়িতদের জামিন না দেয়ার অনুরোধ আইনমন্ত্রীর

প্রকাশের সময় : ০৩:৩২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০১৯

আব্দুল লতিফ ।। 

সামাজিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় নিয়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতরা উচ্চ আদালত থেকে যেন জামিন না পায় সে বিষয়ে সবাইকে মনোযোগী হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

রাজধানীর নিবন্ধন অধিদফতর প্রাঙ্গণে বুধবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে কর্মরত জেলা ও দায়রা জজদের নতুন গাড়ির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ অনুরোধ করেন আইনমন্ত্রী।

দেশে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। অনেক সময় আইনের ফাঁকফোকরে অপরাধী ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। এ জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি থাকে এসব বিচার যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়। এ ক্ষেত্রে আপনার কোনো উদ্যোগ থাকবে কিনা জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এসব ঘটনার ক্ষেত্রে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার পর বিজ্ঞ বিচারিক আদালতে এ ধরনের মামলাগুলো বিলম্বিত হয় না।

আপনারা নুসরাতের মামলা দেখছেন এবং আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি এ ধরনের মামলার ক্ষেত্রে পলিশ প্রতিবেদন পাওয়ার পর সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিচার কাজ সম্পন্ন হবে। এখন উচ্চ আদালতের কথা বললে আমাকে বলতেই হয়, এ পরিস্থিতিটা একটু ভিন্ন ধরনের। আমার কাছে অনেক তথ্য আছে যে বিচারিক আদালতে সাজা হয়েছে বা অত্যন্ত সেনসেশনাল মামলা মোকদ্দমায়ও দেখা গেছে যে, উচ্চ আদালতে সেসব আসামিদের জামিন দিয়ে দেয়া হচ্ছে,’বলেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে এটা নিয়ে আলাপ আলোচনা করব। আমি শুধু একটু অনুরোধ করতে পারি যে অপরাধগুলো হচ্ছে আমার মনে হয় সময় এসেছে একটু কঠোর হওয়ার, সময় এসেছে এদের জেলখানায় রাখার। সে ব্যাপারে বিচার বিভাগকে আমি কোনো সুপারিশ বা আদেশ দিচ্ছি না। সামাজিক পরিস্থিতিতে আমি শুধু অনুরোধ করছি, এদিকে যেন সকলের মনোযোগটা হয়।’