Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১বৃহস্পতিবার , ১১ জুলাই ২০১৯
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন

ফরাসি প্রেসিডেন্টের চিঠির জবাবে যা জানালেন রুহানি

বার্তাকন্ঠ
জুলাই ১১, ২০১৯ ৫:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান ।। 
ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা এমানুয়েল বন। ছবি: সংগৃহীত

২০১৫ সালে ছয় পরাশক্তির সঙ্গে পরমাণু সমঝোতার বিষয়ে ইরান সফরে রয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের শীর্ষ কূটনৈতিক উপদেষ্টা এমানুয়েল বন। বুধবার ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের চিঠি হস্তান্তর করেন তিনি।তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলুর খবরে বলা হয়, বুধবার সফরে এসেই ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস মুসাভির সঙ্গে বৈঠক করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা এমানুয়েল বন।

এরপর দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এ সময় রুহানির হাতে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের চিঠি তুলে দেন এমানুয়েল বন।

ফরাসি প্রেসিডেন্টের লিখিত বার্তা গ্রহণ করে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান সবসময় সমাধানের কথা বলছে। এ জন্য আলোচনা ও কূটনীতির পথ সম্পূর্ণ খোলা রেখেছে ইরান। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে হাসান রুহানি বলেন, ফ্রান্সের প্রচেষ্টায় পরমাণু সমঝোতায় স্বাক্ষরকারী সব পক্ষ এ সমঝোতাকে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করবে বলে তেহরান আশা করছে। পরমাণু সমঝোতায় স্বাক্ষরকারী দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে ইরান এমনটি প্রত্যাশা করে রুহানি বলেন, অন্য দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলে ইরানও নিজের প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করবে।

প্রসঙ্গত পরমাণু কর্মসূচি হ্রাস করার বিনিময়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে- এই শর্তে ২০১৫ সালে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ৫ সদস্য ও জার্মানির সঙ্গে ইরান ‘জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন’ (জেসিপিওএ) নামের চুক্তিতে সই করে ইরান।

শুরু থেকেই চুক্তির প্রতিটি শর্তই মেনে আসছে তেহরান। এর পরও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর অভিযোগ এনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৮ সালের মে মাসে ওই সমঝোতা থেকে বেআইনি ও একতরফাভাবে আমেরিকাকে বের করে নেন। সেই সঙ্গে ২০১৫ সালে তুলে নেয়া সব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণে ইরানও পরমাণু সমঝোতার কয়েকটি ধারা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে সই করা পরমাণু সমঝাতা অনুযায়ী ইউরেনিয়াম মজুদের সীমা অতিক্রম করে ইরান। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধির পরিমাণ ৩০০ কেজি ছাড়িয়েছে দেশটি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা অনুযায়ী ইরান ৩০০ কেজি পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ করতে পারত। তবে ওই সমঝোতার ২৬ ও ৩৬ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, অপর পক্ষ এ সমঝোতা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে তেহরান এটির কোনো কোনো ধারার বাস্তবায়ন স্থগিত রাখতে পারবে। সে অনুযায়ী ইরান এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।