সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আফিল গ্রুপের মাছের ফার্মে হামলা: চার নৈশ প্রহরীকে মারপিট, লুট

রোকনুজ্জামান রিপন।।
যশোরের শার্শা উপজেলার বনমান্দার গ্রামের ফাল্টার বিলে আফিল গ্রুপের এ্যাকুয়া-২ নামক একটি মাছের প্রজেক্টের চার নৈশ প্রহরীকে মারপিটে জখম করে ৪টি বিদেশি টর্চলাইট ও চারটি মোবাইল মোবাইল লুট করে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা। গত বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঘটনা ঘটে।

এ্যাকুয়া-২ ফার্মের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম শার্শা থানায় দেয়া একটি লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, ওই ফার্ম থেকে প্রায় রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। এর জের ধরে বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে অজ্ঞাত ১৪/১৫জন ওই ফার্মে ঢোকে। সে সময় চার নৈশ প্রহরী তাদের বাধা দেয়। এ সময় তাদের বেধড়ক মারপিটে জখম করে লুট করা হয়।

আহতরা হলেন- শার্শার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত রওশন আলীর ছেলে খায়রুল ইসলাম ((৬২), শুড়া গ্রামের জালাল বক্সের ছেলে শ্যামল (৪৩), ঝিকরগাছার করিমালি গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৯) এবং চৌগাছার আরকান্দি গ্রামের সূর্য্যকান্ত রায়ের ছেলে মৃণাল রায় (৫৮)। অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তাদের লুঙ্গি ও গামছা দিয়ে হাত পা বেঁধে বেদম মারপিট করে। পরে তাদের কাছে থাকা ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের চারটি বিদেশি টর্চ লাইট ও চারটি মোবাইল ফোনসেট কেড়ে নিয়ে যায়।

তাদের চিৎকারে আশপাশের গ্রামের লোকজন এগিয়ে আসলে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা ফার্মের সকল মাছ নষ্ট করে দেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

আগুন সন্ত্রাসের হুকুমদাতা মির্জা ফখরুলও: তথ্যমন্ত্রী

আফিল গ্রুপের মাছের ফার্মে হামলা: চার নৈশ প্রহরীকে মারপিট, লুট

প্রকাশের সময় : ০৪:২১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০১৯

রোকনুজ্জামান রিপন।।
যশোরের শার্শা উপজেলার বনমান্দার গ্রামের ফাল্টার বিলে আফিল গ্রুপের এ্যাকুয়া-২ নামক একটি মাছের প্রজেক্টের চার নৈশ প্রহরীকে মারপিটে জখম করে ৪টি বিদেশি টর্চলাইট ও চারটি মোবাইল মোবাইল লুট করে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা। গত বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঘটনা ঘটে।

এ্যাকুয়া-২ ফার্মের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম শার্শা থানায় দেয়া একটি লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, ওই ফার্ম থেকে প্রায় রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। এর জের ধরে বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে অজ্ঞাত ১৪/১৫জন ওই ফার্মে ঢোকে। সে সময় চার নৈশ প্রহরী তাদের বাধা দেয়। এ সময় তাদের বেধড়ক মারপিটে জখম করে লুট করা হয়।

আহতরা হলেন- শার্শার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত রওশন আলীর ছেলে খায়রুল ইসলাম ((৬২), শুড়া গ্রামের জালাল বক্সের ছেলে শ্যামল (৪৩), ঝিকরগাছার করিমালি গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৯) এবং চৌগাছার আরকান্দি গ্রামের সূর্য্যকান্ত রায়ের ছেলে মৃণাল রায় (৫৮)। অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তাদের লুঙ্গি ও গামছা দিয়ে হাত পা বেঁধে বেদম মারপিট করে। পরে তাদের কাছে থাকা ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের চারটি বিদেশি টর্চ লাইট ও চারটি মোবাইল ফোনসেট কেড়ে নিয়ে যায়।

তাদের চিৎকারে আশপাশের গ্রামের লোকজন এগিয়ে আসলে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা ফার্মের সকল মাছ নষ্ট করে দেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়।