Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১সোমবার , ৫ আগস্ট ২০১৯
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন

মৌলভীবাজােের ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশা নিধন শুরু

বার্তাকন্ঠ
আগস্ট ৫, ২০১৯ ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃঃ-

নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ্য থাকি’ এই স্লোগান নিয়ে সারা দেশের ন্যায় মৌলভীবাজারেও মশকনিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ শুরু হয়েছে । এরই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজারে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশা নিধন শুরু হল। মেয়র মো. ফজলুর রহমানের একান্ত প্রচেষ্ঠায় মেশিনগুলো কিনেছে মৌলভীবাজার পৌরসভা।

বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে প্রথম ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধন শুরু হয়। মেয়র মো. ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে এর শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন। এসময় আরোও বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, সিভিল সার্জন শাহজাহান কবির, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সালেহ এলাহী কুটি।
জানা যায়, মৌলভীবাজার পৌরসভা মোট ৬টি ফগার মেশিন ক্রয় করেছ। পর্যায়ক্রমে পৌর এলাকার বিভিন্ন এলাকায় মেশিন নিয়ে মশক নিধন হবে।

এছাড়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সলার ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন ফগার মেশিন হাতে নিয়ে মশা নিধন করেন।

মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘মৌলভীবাজার পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে মশা নিধনের মেশিন ছিল না। ডেঙ্গু নির্মূলকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে পৌলসভার পক্ষ থেকে মেশিন ক্রয়ের অর্ডার দেয়া হয়েছিল। কিন্তু মেশিনের চাহিদা বেশী থাকায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিলম্ব করছিল। অবশেষে বহু প্রতিক্ষার ফগার মিশের ধূয়া মৌলভীবাজারে উড়ল’।

সিভিল সার্জন মো. শাহজাহান কবীর জানান, ‘এপর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলায় ২৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী রয়েছেন। তারা সবাই সুস্থ আছেন। একজন ছাড়া বাকী সবাই ঢাকা থেকে ডেঙ্গু নিয়ে এসেছেন। মৌলভীবাজার সরকারি হাসপাতালে দুইটি ডেঙ্গু কর্ণার খুলা হয়েছে। তবে আমাদের জন্য আশার খবর হচ্ছে ২৪ ঘন্টায় মাত্র জন ডেঙ্গু রোগী বেড়েছে’।

জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘মৌলভীবাজারসহ সাড়া দেশ কারোর পক্ষে একা পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব নয়। এর জন্য জনসাধরণকে সচেতন হতে হবে। সবাইকে সম্মিলত কাজ করতে হবে। আমরা এখন দেখছি যে অনেক জায়গায় নোংরা আবর্জনা রয়েছে। তার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যাতে সবাই নিজ উদ্যোগে নিজের আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখেন’।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।