Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১শুক্রবার , ৯ আগস্ট ২০১৯
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন

শিক্ষককে পা ছুঁয়ে সালাম করলেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ

বার্তাকন্ঠ
আগস্ট ৯, ২০১৯ ৮:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ ।।
স্কুলজীবনের প্রিয় শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাক স্যারের খোঁজ নিলেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। শুক্রবার সকালে প্রিয় শিক্ষকের বাসায় গিয়ে তার পা ছুঁয়ে সালাম করেন মন্ত্রী। এসময় শিক্ষক এবং ছাত্র দুজনেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। চট্টগ্রামের সরকারি মুসলিম হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন হাছান মাহমুদ। এই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পাস করেন তিনি। বয়সের ঘরে আশি বছর পার করা এই গুণী শিক্ষক ১৯৯৪ সালে প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে অবসর নেন।

সময়ের পরিক্রমায় হাছান মাহমুদ আজ তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক। রাষ্ট্রীয় নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে দিন-রাত ব্যস্ত থাকলেও ভুলতে পারেননি মুসলিম হাই স্কুল এবং প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতি। শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার টানে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় ইংরেজি শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাককে তার বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল ৩ নম্বর রোডের বাসায় দেখতে যান তথ্যমন্ত্রী।

প্রিয় ছাত্রকে পায়ে ধরে সালাম করতে দেখে চোখ ভিজে যায় প্রবীণ শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকের। একইভাবে প্রিয় শিক্ষকের সান্নিধ্যে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তথ্যমন্ত্রীও। মন্ত্রীর সঙ্গে এসময় একই ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীও ছিলেন। বহুদিন পর কাছে পেয়ে হাছান মাহমুদের কাছে শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাক মন্ত্রীর নানা খোঁজখবর নেন।

প্রিয় শিক্ষকের কাছে তথ্যমন্ত্রী জানতে চান, এখন মুসলিম হাই স্কুলে পড়াশোনার মান কেমন? জবাবে শিক্ষক বললেন, ‘খুবই ভালো। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়-এর মধ্যে থাকেই।’ আলাপচারিতার সময় শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাক বলেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে মাস্টার্স করেছেন, আবার বৈরুতে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকেও ইংরেজিতে এমএ করেছেন। পরে তিনি শিক্ষকতায় এসেছেন।

‘শিক্ষকতায় না এলে সচিব হতেন’ তথ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি তো সেখানে (প্রশাসনের কর্মকর্তা) যাবো না বলে আগে থেকেই ঠিক করেছিলাম। ‘ স্মৃতিচারণ করে তথ্যমন্ত্রী জানতে চান, ‘স্যার আগে সাইকেল চালাতেন, এখনো কি চালান ?’ জবাবে স্যার বলেন, ‘অনেকদিন ধরে চালাই না।’

ড. হাছান বলেন, ইসহাক স্যার সে সময়ে বাই সাইকেল নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে ছাত্রছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিতেন। স্যারের মতো গুণী শিক্ষকরা তাদের মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশে আলোকিত মানবসম্পদ তৈরিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। স্যারের অসামান্য অবদান ভুলে যাবার নয়। ফিরে যাওয়ার আগে আরেকবার প্রিয় শিক্ষকের পা ধরে সালাম করেন তথ্যমন্ত্রী। শিক্ষক মোহাম্মদ ইসহাকও মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করেন মন্ত্রীকে।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।