রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

যশোরের শার্শায় হাতি দিয়ে অভিনব পন্থায় চাঁদাবাজি

সম্রাট আকবর ।। 
যশোরের শার্শায় হাতিকে ঢাল বানিয়ে মানুষকে নিরুপায় করে চলছে অভিনব পন্থায় চাঁদাবাজি। এ দৃশ্য আজ বৃহস্পতিবার  সকালে উপজেলার বিভিন্ন হাট- বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়।
বিভিন্ন গ্রাম, হাট- বাজার, রাস্তা-ঘাট এবং পথচারীদের কাছে হাতি দাড় করিয়ে ১০, ২০ ও ৫০ টাকা আদায় করতে দেখা গেছে। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হাতির মালিক হাতির মাধ্যমে জবরদস্তি করে অর্থ আদায় করছে।
হাতির নাম শুনে দেখতে আসা জনগণ মাফ পাচ্ছেন না এই হাতির মালিকের কাছে।তাই এই নীরব চাঁদাবাজির কাছে অসহায় হয়ে সহ্য করতে হচ্ছে নিরিহ পথচারি ও এলাকাবাসিকে।এলাকার উৎসুক জনগণের প্রশ্ন, যদি সার্কাস খেলার জন্য হাতিটিকে আনা হয়, তাহলে জেলার গ্রাম অঞ্চলে কেন। এটা হাতির সাথে থাকা মালিকের পক্ষে চাঁদাবাজি ছাড়া আর কিছুই না।
আমাদের প্রতিবেদক হাতির পিঠে থাকা ব্যক্তি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থেকে আসা নয়নের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি এই হাতিটিকে একটি সার্কাস দলে খেলা দেখানোর জন্য যশোরে এনেছি। কিন্তু রমজান মাসের কারণে সার্কাস খেলা বন্দ আছে। তাই এসব এলাকায় খোরাকীর জন্য এসেছি। আপনাদের এলাকায় যদি না আসি তাহলে আমরা খাব কি। আপনারা আমাদের খেতে দিবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই

যশোরের শার্শায় হাতি দিয়ে অভিনব পন্থায় চাঁদাবাজি

প্রকাশের সময় : ০৮:২৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৯
সম্রাট আকবর ।। 
যশোরের শার্শায় হাতিকে ঢাল বানিয়ে মানুষকে নিরুপায় করে চলছে অভিনব পন্থায় চাঁদাবাজি। এ দৃশ্য আজ বৃহস্পতিবার  সকালে উপজেলার বিভিন্ন হাট- বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়।
বিভিন্ন গ্রাম, হাট- বাজার, রাস্তা-ঘাট এবং পথচারীদের কাছে হাতি দাড় করিয়ে ১০, ২০ ও ৫০ টাকা আদায় করতে দেখা গেছে। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হাতির মালিক হাতির মাধ্যমে জবরদস্তি করে অর্থ আদায় করছে।
হাতির নাম শুনে দেখতে আসা জনগণ মাফ পাচ্ছেন না এই হাতির মালিকের কাছে।তাই এই নীরব চাঁদাবাজির কাছে অসহায় হয়ে সহ্য করতে হচ্ছে নিরিহ পথচারি ও এলাকাবাসিকে।এলাকার উৎসুক জনগণের প্রশ্ন, যদি সার্কাস খেলার জন্য হাতিটিকে আনা হয়, তাহলে জেলার গ্রাম অঞ্চলে কেন। এটা হাতির সাথে থাকা মালিকের পক্ষে চাঁদাবাজি ছাড়া আর কিছুই না।
আমাদের প্রতিবেদক হাতির পিঠে থাকা ব্যক্তি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থেকে আসা নয়নের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি এই হাতিটিকে একটি সার্কাস দলে খেলা দেখানোর জন্য যশোরে এনেছি। কিন্তু রমজান মাসের কারণে সার্কাস খেলা বন্দ আছে। তাই এসব এলাকায় খোরাকীর জন্য এসেছি। আপনাদের এলাকায় যদি না আসি তাহলে আমরা খাব কি। আপনারা আমাদের খেতে দিবেন।