সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বুদ্ধিমানরাই একা থাকেন!

আব্দুল লতিফ ।।

অনেক লোকের ভিড়ে নিজের মতো একলা থাকতে চান এমন মানুষ একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন। হতে পারে আপনি নিজেও এমন। বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে বেশিক্ষণ আড্ডা দিতেও বিরক্তি চলে আসে। সেজন্য হয়তো খোঁচাও শুনতে হয় অনেকের। কিন্তু এটি কি আসলেই নেতিবাচক? গবেষণা কিন্তু ইতিবাচক কথাই বলছে। একলা থাকতে চাওয়ার একটা দারুণ দিক রয়েছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, যারা যত বুদ্ধিমান তারা একলা থাকতে পারলে তত বেশি খুশি থাকেন। ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের তরফে এই গবেষণাটি করা হয়েছে।
প্রায় ১৫ হাজার ১৮ থেকে ২৮ বছরের মানুষকে নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়েছে। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, তারা কোথায় থাকেন, কীভাবে তারা খুশি থাকেন, যেখানে থাকেন তারা সেখানে কত লোকের সঙ্গে থাকেন, সেখানকার সামাজিক জীবন কী ধরনের- এমন আরও অনেক প্রশ্ন। গবেষণায় দেখা যায়, যারা বহু মানুষের সঙ্গ পছন্দ করেন না, তারা খানিকটা হলেও বেশি বুদ্ধিমান। তারা দলে থাকলে সেখান থেকে নেতিবাচক দিকটাকেই গুরুত্ব দেন। তারা একা থাকার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি আনন্দ খুঁজে পান।
এর পিছনে নানা কারণ থাকতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, নিজেদের জীবনের লক্ষ্য জয় করতেই তারা বেশিরভাগ সময় দেন ও তাই একা থাকতে পছন্দ করেন। এককথায় তাদের মুখচোরাই বলা হয়। তাই মুখচোরা হওয়া বা আড়ালে থাকতে চাওয়াটা নেতিবাচক কোনো বিষয় নয়। কেউ কেউ আড়ালে থেকেই আলো জ্বেলে যান!

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

আট রোহিঙ্গার যাবজ্জীবন

বুদ্ধিমানরাই একা থাকেন!

প্রকাশের সময় : ০৭:৪০:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯
আব্দুল লতিফ ।।

অনেক লোকের ভিড়ে নিজের মতো একলা থাকতে চান এমন মানুষ একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন। হতে পারে আপনি নিজেও এমন। বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে বেশিক্ষণ আড্ডা দিতেও বিরক্তি চলে আসে। সেজন্য হয়তো খোঁচাও শুনতে হয় অনেকের। কিন্তু এটি কি আসলেই নেতিবাচক? গবেষণা কিন্তু ইতিবাচক কথাই বলছে। একলা থাকতে চাওয়ার একটা দারুণ দিক রয়েছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, যারা যত বুদ্ধিমান তারা একলা থাকতে পারলে তত বেশি খুশি থাকেন। ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের তরফে এই গবেষণাটি করা হয়েছে।
প্রায় ১৫ হাজার ১৮ থেকে ২৮ বছরের মানুষকে নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়েছে। তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, তারা কোথায় থাকেন, কীভাবে তারা খুশি থাকেন, যেখানে থাকেন তারা সেখানে কত লোকের সঙ্গে থাকেন, সেখানকার সামাজিক জীবন কী ধরনের- এমন আরও অনেক প্রশ্ন। গবেষণায় দেখা যায়, যারা বহু মানুষের সঙ্গ পছন্দ করেন না, তারা খানিকটা হলেও বেশি বুদ্ধিমান। তারা দলে থাকলে সেখান থেকে নেতিবাচক দিকটাকেই গুরুত্ব দেন। তারা একা থাকার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি আনন্দ খুঁজে পান।
এর পিছনে নানা কারণ থাকতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, নিজেদের জীবনের লক্ষ্য জয় করতেই তারা বেশিরভাগ সময় দেন ও তাই একা থাকতে পছন্দ করেন। এককথায় তাদের মুখচোরাই বলা হয়। তাই মুখচোরা হওয়া বা আড়ালে থাকতে চাওয়াটা নেতিবাচক কোনো বিষয় নয়। কেউ কেউ আড়ালে থেকেই আলো জ্বেলে যান!