বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজস্ব ফাঁকি রোধে নতুন অ্যাপ আনছে এনবিআর

মো: ইদ্রিস আলী।। 

রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ ও করদাতার সংখ্যা বাড়াতে সফটওয়্যার এবং মোবাইল অ্যাপ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআর সূত্রে জানা যায়, সফটওয়্যারের মাধ্যমে আয়কর বিভাগের ৬৪৯টি কর অঞ্চলকে মোবাইল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যে যেকোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বা সেবাপ্রদানে নিয়োজিত ব্যক্তির কর পরিশোধ সনদ বৈধ কিংবা কার্যকর বা মেয়াদোত্তীর্ণ কিনা তা যাচাই করতে পারবে। এমনকি কার্যকর না হলে এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট করাঞ্চলে অভিযোগও করা যাবে।

এনবিআর আরও বলছে, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যখন কোনো ক্রেতা ব্যবসায়ী কর দিয়েছেন কিনা সেটা যাচাই করতে যাবেন তখন ব্যবসায়ীরাও কর পরিশোধে সচেষ্ট হবেন। ফলে রাজস্ব আহরণ বাড়বে এবং কর ফাঁকি রোধ সম্ভব হবে। এ কারণেই এনবিআর ওয়েবভিত্তিক নিজস্ব সফটওয়্যার ও মোবাইল অ্যাপ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।

তবে এনবিআর বলছে, যে অ্যাপ তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাতে শুধুমাত্র কর পরিশোধ সনদ যাচাইয়ের সুযোগ থাকবে। কেননা কোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিকভিত্তিতে নিয়োজিত চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবীসহ অন্যান্য পেশায় যারা আছেন তারা নিয়মিত কর পরিশোধ না করলে কর সনদ এমনিতেই বাতিল হয়ে যায়। সুতরাং অকার্যকর সনদ মানেই তিনি কর পরিশোধ করেননি। তাই এর চেয়ে বাড়তি তথ্য অ্যাপে দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে সংস্থাটি।

এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে দেশে ইটিআইএন ধারীর সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ। কিন্তু এর মধ্যে আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) দাখিল করেন মাত্র ২০ লাখ। এটা কখনও আশা করা যায় না। তাই করদাতার সংখ্যা বাড়াতে কর জরিপ শুরু হয়েছে। এজন্য আমরা অনলাইন কর ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

রাজস্ব ফাঁকি রোধে নতুন অ্যাপ আনছে এনবিআর

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯
মো: ইদ্রিস আলী।। 

রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ ও করদাতার সংখ্যা বাড়াতে সফটওয়্যার এবং মোবাইল অ্যাপ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআর সূত্রে জানা যায়, সফটওয়্যারের মাধ্যমে আয়কর বিভাগের ৬৪৯টি কর অঞ্চলকে মোবাইল অ্যাপের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এই অ্যাপ ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যে যেকোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বা সেবাপ্রদানে নিয়োজিত ব্যক্তির কর পরিশোধ সনদ বৈধ কিংবা কার্যকর বা মেয়াদোত্তীর্ণ কিনা তা যাচাই করতে পারবে। এমনকি কার্যকর না হলে এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট করাঞ্চলে অভিযোগও করা যাবে।

এনবিআর আরও বলছে, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যখন কোনো ক্রেতা ব্যবসায়ী কর দিয়েছেন কিনা সেটা যাচাই করতে যাবেন তখন ব্যবসায়ীরাও কর পরিশোধে সচেষ্ট হবেন। ফলে রাজস্ব আহরণ বাড়বে এবং কর ফাঁকি রোধ সম্ভব হবে। এ কারণেই এনবিআর ওয়েবভিত্তিক নিজস্ব সফটওয়্যার ও মোবাইল অ্যাপ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।

তবে এনবিআর বলছে, যে অ্যাপ তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাতে শুধুমাত্র কর পরিশোধ সনদ যাচাইয়ের সুযোগ থাকবে। কেননা কোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বা বাণিজ্যিকভিত্তিতে নিয়োজিত চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবীসহ অন্যান্য পেশায় যারা আছেন তারা নিয়মিত কর পরিশোধ না করলে কর সনদ এমনিতেই বাতিল হয়ে যায়। সুতরাং অকার্যকর সনদ মানেই তিনি কর পরিশোধ করেননি। তাই এর চেয়ে বাড়তি তথ্য অ্যাপে দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে সংস্থাটি।

এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বর্তমানে দেশে ইটিআইএন ধারীর সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ। কিন্তু এর মধ্যে আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) দাখিল করেন মাত্র ২০ লাখ। এটা কখনও আশা করা যায় না। তাই করদাতার সংখ্যা বাড়াতে কর জরিপ শুরু হয়েছে। এজন্য আমরা অনলাইন কর ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে কর ফাঁকি রোধ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।