নতুন করে নেওয়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টাও ভেস্তে যাওয়ার পথে। প্রত্যাবাসনের সব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা না পেলে মিয়ানমারে যেতে রাজি নন রোহিঙ্গারা।
গাড়ি-ট্রাক প্রস্তুত রাখা হলেও বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা নাগাদ কক্সবাজারের টেকনাফের শালবন এলাকায় কোনো রোহিঙ্গাকে দেখা যায়নি। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, গত কয়েকদিন তালিকায় নাম থাকা ২৯৫টি পরিবারের সঙ্গে কথা তারা কথা বলেছেন। কিন্তু নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তাসহ তাদের দাবি-দাওয়া না মানলে কেউ মিয়ানমার ফিরে যেতে রাজি হননি।
তিনি বলেন, যেহেতু তারা রাজি হননি, তাদের প্রত্যাবাসনে জোর করা হবে না। আমরা বিকেল ৪টা পর্যন্ত অপেক্ষা করবো। যদি একজন রোহিঙ্গাও আসে, তাকে প্রত্যাবাসন করা হবে। আবুল কালাম আরও বলেন, প্রত্যাবাসন তালিকায় যাদের নাম উঠেছে তাদের মতামত নেওয়া অব্যাহত থাকবে। আগামীকালও আমরা আলাপ করবো।
এদিকে সীমান্তের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রত্যাবাসনে যাওয়া রোহিঙ্গাদের গ্রহণ করতে সীমান্তের মিয়ানমার অংশে একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধি দল অপেক্ষা করছিল।
এছাড়া পুরো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দেখভালে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন। নিজ উদ্যোগে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন চীনের দুজন এবং মিয়ানমারের একজন প্রতিনিধি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho