রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নিজ সন্তানসহ ইমামের কক্ষে তিন শিশুর মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় এক জামে মসজিদের ইমামের কক্ষ থেকে তিন শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) মতলব দক্ষিণ উপজেলার পূর্ব কলাদী গ্রামের এক মসজিদে জুমার নামাজের পর মসজিদে ইমামের কক্ষে দুই শিশুর মরদেহ এবং এক শিশুকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে অচেতন শিশুটি হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।

মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ স্বপন কুমার আইচ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘শিশুদের মরদেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে। তাদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি। কোনো বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

জানা গেছে, পাঁচ বছরের শিশু সন্তান আব্দুল্লাহ আল নোমানকে রেখে নামাজ পড়াতে যান ইমাম মাওলানা জামাল উদ্দিন। নোমানের সঙ্গে আরও দুই জন কিশোর প্রবেশ করে ইমামের কক্ষে। নামাজ শেষে ওই ইমাম ফেরার পর রুমের ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পান।

অনেক ডাকাডাকির পর দরজা না খোলায় দরজা ভেঙে ইমামসহ উপস্থিত মুসল্লিরা দেখেন রুমের মধ্যে তিন শিশু-কিশোর অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। এদের দুজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। একজনকে মতলব হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। নিহত অন্য দুই শিশু হলো- ইব্রাহিম ১২) ও রিফাত হোসেনকে (১৫)। ইব্রাহিম ও রিফাত পার্শ্ববর্তী মতলব দক্ষিণের ভাঙারপাড় মাদরাসায় পড়াশোনা করত।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই

নিজ সন্তানসহ ইমামের কক্ষে তিন শিশুর মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৯

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় এক জামে মসজিদের ইমামের কক্ষ থেকে তিন শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) মতলব দক্ষিণ উপজেলার পূর্ব কলাদী গ্রামের এক মসজিদে জুমার নামাজের পর মসজিদে ইমামের কক্ষে দুই শিশুর মরদেহ এবং এক শিশুকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে অচেতন শিশুটি হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।

মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ স্বপন কুমার আইচ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘শিশুদের মরদেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে। তাদের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি। কোনো বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

জানা গেছে, পাঁচ বছরের শিশু সন্তান আব্দুল্লাহ আল নোমানকে রেখে নামাজ পড়াতে যান ইমাম মাওলানা জামাল উদ্দিন। নোমানের সঙ্গে আরও দুই জন কিশোর প্রবেশ করে ইমামের কক্ষে। নামাজ শেষে ওই ইমাম ফেরার পর রুমের ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পান।

অনেক ডাকাডাকির পর দরজা না খোলায় দরজা ভেঙে ইমামসহ উপস্থিত মুসল্লিরা দেখেন রুমের মধ্যে তিন শিশু-কিশোর অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। এদের দুজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। একজনকে মতলব হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। নিহত অন্য দুই শিশু হলো- ইব্রাহিম ১২) ও রিফাত হোসেনকে (১৫)। ইব্রাহিম ও রিফাত পার্শ্ববর্তী মতলব দক্ষিণের ভাঙারপাড় মাদরাসায় পড়াশোনা করত।