জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে দুই দিনের ধর্মঘট ও প্রশাসনিক ভবন অবরোধ কর্মসূচি শেষ করেছে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশ। দুই দিনের সর্বাত্বক ধর্মঘট কর্মসূচিতেও উপাচার্য পদত্যাগ না করায় নতুনভাবে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারা।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বন্ধ থাকাকালীন আগামী ১০ অক্টোবর রাজধানী ঢাকাতে সংবাদ সম্মেলন, ১৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পদযাত্রা ও সমাবেশ, ১৬ অক্টোবর বিক্ষোভ মিছিল, ১৭ অক্টোবর সংহতি সমাবেশ এবং ১৯ অক্টোবর মশাল মিছিল। এছাড়াও ছুটির পুরো সময়জুড়ে সংবাদচিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী চলবে।
এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অবস্থা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সঙ্গে উপাচার্য ও তাঁর পরিবারের জড়িত থাকার অভিযোগে উপাচার্যের অপসারণের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে আচার্য (রাষ্ট্রপতি) বরবার চিঠি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনের মুখপাত্র দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন জানান, আমরা আন্দোলনের শুরুতেই উপাচার্যের পদত্যাগ চাইনি। শুধু মহাপরিকল্পনার স্বচ্ছতা চেয়েছি। কিন্তুু সংবাদমাধ্যমে উপাচার্য এবং তার পরিবারের দুর্নীতির খবর বের হয়েছে। এখন তাঁর পদে থাকার নৈতিকতা নেই বলে মনে করছি। কারণ একজন দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থাকতে পারেন না।
এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন চললেও সুস্পষ্ট অভিযোগ না থাকায় আপাতত কোনো তদন্ত কমিটি করা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) ব্যানবেইস মিলনায়তনে ‘সাংবাদিকতায় নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন’ শীর্ষক কর্মশালার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এদিকে আন্দোলনকারীদের অযৌক্তিক দাবি প্রত্যাহারের দাবিতে গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছে উপাচার্য পন্থী ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’।
আন্দোলনের প্রতিবাদে পূর্ব নির্ধারিত গণসংযোগ কর্মসূচি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও অ্যাকাডেমিক ভবনে গিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ ব্যানারে এ গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষকরা। গণসংযোগে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উপাচার্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগকারীদের চিহ্নিত করে দুর্নীতিবাজদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।
আন্দোকারীদের অযৌক্তিক দাবিতে পদত্যাগ না করার পক্ষে অনঢ় অবস্থানে উপাচার্য। বৃহম্পতিবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উপাচার্য বলেন, আন্দোলনকারীদের অযৌক্তিক দাবিতে পদত্যাগ করবো না।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho