বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা চিঠি ডাস্টবিনে ফেলেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট

আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান :=

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা চিঠি ডাস্টবিনে ফেলেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
বৃহস্পতিবার বিবিসির খবরে এ তথ্য জানান হয়।এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প এরদোয়ানকে চিঠি পাঠানোর খবর প্রকাশিত হয়।

সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর সেখানে কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামার ঘোষণা দেয় তুরস্ক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৯ অক্টোবর একটি চিঠি এরদোয়ানের কাছে লেখেন ট্রাম্প।এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘কঠোর হবেন না। বোকার মতো কাজ করবেন না।’চিঠিতে ট্রাম্প লেখেন, ‘আসুন একটি ভালো চুক্তির জন্য কাজ করি। আপনি হাজার হাজার লোককে হত্যার জন্য দায়ী হতে চাইবেন না এবং আমি তুর্কি অর্থনীতি ধ্বংসের জন্য দায়ী হতে চাই না।’

এরদোয়ানকে তিনি লেখেন, ‘আপনি যদি এটা সঠিক ও মানবিকভাবে করেন তাহলে ইতিহাস আপনার পক্ষে যাবে। যদি ভালো কিছু না হয় তাহলে এটি আপনাকে শয়তান হিসেবে দেখাবে।’তুর্কি প্রেসিডেন্ট দপ্তরের সূত্র বলেছে, ‘প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান চিঠিটি গ্রহণ করেছিলেন, এর বার্তা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন এবং একে ডাস্টবিনে ফেলে দেন।’

তুরস্ক গত সপ্তাহে যে অভিযান শুরু করে তার দু’টি লক্ষ্য: প্রথমত ওয়াইপিজি নামে পরিচিত কুর্দি-সিরিয়ান মিলিশিয়া বাহিনীকে হটিয়ে দেয়া। তুরস্ক কুর্দি মিলিশিয়াদের সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচনা করে।

তুর্কী প্রেসিডেন্ট মি. ট্রাম্পের চিঠিকে ‘খারিজ করে দিয়েছেন।’তুর্কী অভিযানের দ্বিতীয় লক্ষ্য: উত্তর সিরিয়ায় একটি ‘নিরাপদ এলাকা’ গড়ে তোলা যেখানে তুরস্কে বসবাসকারী প্রায় ২০ লক্ষ সিরিয়ান শরণার্থীদের এনে বসানো হবে।

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কুর্দিরা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র শক্তি ছিল।ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়লে সেখানে জিহাদি শক্তির পুনরুত্থান হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা চিঠি ডাস্টবিনে ফেলেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট

প্রকাশের সময় : ০৮:০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯
আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান :=

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লেখা চিঠি ডাস্টবিনে ফেলেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
বৃহস্পতিবার বিবিসির খবরে এ তথ্য জানান হয়।এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প এরদোয়ানকে চিঠি পাঠানোর খবর প্রকাশিত হয়।

সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর সেখানে কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামার ঘোষণা দেয় তুরস্ক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৯ অক্টোবর একটি চিঠি এরদোয়ানের কাছে লেখেন ট্রাম্প।এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘কঠোর হবেন না। বোকার মতো কাজ করবেন না।’চিঠিতে ট্রাম্প লেখেন, ‘আসুন একটি ভালো চুক্তির জন্য কাজ করি। আপনি হাজার হাজার লোককে হত্যার জন্য দায়ী হতে চাইবেন না এবং আমি তুর্কি অর্থনীতি ধ্বংসের জন্য দায়ী হতে চাই না।’

এরদোয়ানকে তিনি লেখেন, ‘আপনি যদি এটা সঠিক ও মানবিকভাবে করেন তাহলে ইতিহাস আপনার পক্ষে যাবে। যদি ভালো কিছু না হয় তাহলে এটি আপনাকে শয়তান হিসেবে দেখাবে।’তুর্কি প্রেসিডেন্ট দপ্তরের সূত্র বলেছে, ‘প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান চিঠিটি গ্রহণ করেছিলেন, এর বার্তা তিনি প্রত্যাখ্যান করেন এবং একে ডাস্টবিনে ফেলে দেন।’

তুরস্ক গত সপ্তাহে যে অভিযান শুরু করে তার দু’টি লক্ষ্য: প্রথমত ওয়াইপিজি নামে পরিচিত কুর্দি-সিরিয়ান মিলিশিয়া বাহিনীকে হটিয়ে দেয়া। তুরস্ক কুর্দি মিলিশিয়াদের সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচনা করে।

তুর্কী প্রেসিডেন্ট মি. ট্রাম্পের চিঠিকে ‘খারিজ করে দিয়েছেন।’তুর্কী অভিযানের দ্বিতীয় লক্ষ্য: উত্তর সিরিয়ায় একটি ‘নিরাপদ এলাকা’ গড়ে তোলা যেখানে তুরস্কে বসবাসকারী প্রায় ২০ লক্ষ সিরিয়ান শরণার্থীদের এনে বসানো হবে।

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কুর্দিরা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র শক্তি ছিল।ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়লে সেখানে জিহাদি শক্তির পুনরুত্থান হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে