Barta Kontho
নিবন্ধন নম্বর: ৪৬১শনিবার , ১৯ অক্টোবর ২০১৯
  1. 1st Lead
  2. 2nd Lead
  3. অপরাধ
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন ও আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. খেলাধুলা
  10. চাকুরি
  11. ছবি ঘর
  12. জাতীয়
  13. জেলার খবর
  14. ট্রাভেল
  15. নির্বাচন

যুবলীগের নেতৃত্বে আসতে পারেন কারা কারা

বার্তাকন্ঠ
অক্টোবর ১৯, ২০১৯ ৪:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রোকনুজ্জামান রিপন :=

অনেকটা বিতর্কের মধ্যেই আগামী ২৩ নভেম্বর হতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের সপ্তম সম্মেলন। ক্যাসিনোকাণ্ড, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে অভিযুক্ত সংগঠনটির নেতারা যখন গ্রেপ্তার আতঙ্কে ভুগছেন ঠিক তখনই সম্মেলনকে ঘিরে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে উন্মাদনা। কে হচ্ছেন নতুন চেয়ারম্যান-সাধারণ সম্পাদক তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এর আগে ২০১২ সালের ১৪ জুলাই ওমর ফারুক চৌধুরীকে চেয়ারম্যান ও হারুনুর রশীদকে সাধারণ সম্পাদক করে যুবলীগের নতুন কমিটি হয়েছিল। তিন বছর মেয়াদের ওই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে চার বছর আগে।

বাংলাদেশের প্রথম যুব সংগঠন হিসেবে যুবলীগের আত্মপ্রকাশ ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনির হাত ধরে। ওই সময়ে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরপর সংগঠনটির দায়িত্ব পালন করেছেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির

নানকের মতো নেতারা। তারা দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে সংগঠনকে চাঙ্গা রেখেছেন। কিন্তু বর্তমান সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী নেতৃত্ব নেওয়ার পর থেকেই যুবলীগ তার গৌরব হারিয়ে ফেলতে শুরু করে। সারা দেশে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক ব্যবসা, অস্ত্র ব্যবসা এবং হালের ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগ ওঠে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূলেও। ইতিমধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটসহ কেন্দ্রীয় ও নগর পর্যায়ের কয়েকজন নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, গ্রেপ্তার হওয়া ওইসব নেতা কেন্দ্রীয় অনেক নেতার নাম বলেছেন। ফলে সংগঠনটির ভাবমূর্তি অনেকটা ক্ষুণœ হয়েছে।

সংগঠনটির তৃণমূল ও কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, যুবলীগের বর্তমান কর্মকাণ্ডে তারা হতাশ। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যুবলীগ কর্মী পরিচয় দিতেও এখন তাদের বাধে। তারা চান, আগামীর সম্মেলনে এমন একজন দায়িত্ব পালন করুক যিনি আবারও যুবলীগের সম্মান ফিরিয়ে আনতে পারবেন। গর্বের সঙ্গে বলতে পারবেন ‘আমি যুবলীগ কর্মী’।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের নেতা ও বিমানবন্দর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমাদের সংগঠনের ঐতিহ্য আছে। কিন্তু কিছু দুষ্ট মানুষ সংগঠনকে কলুষিত করেছে। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি দেখভাল করেছেন, তাই আমরা আশা করি তিনি এবার এমন এক যুবকের হাতে দলের দায়িত্ব দেবেন যিনি হবেন সত্যিকারের যুবক। যার নেতৃত্বে আবারও ফিরে পাব আমাদের হারানো গৌরব।’

আওয়ামী লীগের এক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, যুবলীগের কর্মকাণ্ডে খোদ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাও বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ। তাই আগামীর সম্মেলনে নতুন, ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করতে চান তিনি। ইতিমধ্যে যারা যারা সুবিধাবাদী এবং বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জাড়িত তাদের তালিকা সংগ্রহ করেছেন। একই সঙ্গে যোগ্য নেতাদের একটি তালিকাও তার হাতে রয়েছে। তিনি নিজেই এবার যুবলীগের কমিটি দিতে চান। তাই প্রতিবারের মতো এবার পদ পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত তদবির করার সাহস দেখাচ্ছেন না কেউ। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের একটি সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী এবার এমন একজনের হাতে নেতৃত্ব দিতে চান যার হাতে যুবলীগ ফিরে পাবে তার হারানো গৌরব।

আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে যুবলীগের কমিটির বিষয়ে কয়েকটি বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে ওমর ফারুক চৌধুরীকে উপস্থিত না হওয়ার জন্যও তিনি নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সবাইকে সতর্ক করে দেন যাতে আগামীতে কেউ কোনো ধরনের অন্যায় না করে। তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও হুমকি দেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সভাপতিমণ্ডলীর এক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, এবারের যুবলীগের কমিটিতে বড় ধরনের চমক আছে। প্রধানমন্ত্রী এমন একজনের হাতে দায়িত্ব দিচ্ছেন যাকে পেয়ে শুধু দলের নেতাকর্মীরাই খুশি হবেন না, দেশবাসীও খুশি হবেন। আগামীর সম্মেলনকে ঘিরে কোনো তদবির-লবিং চলার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি। ওই নেতা আরও বলেন, যারা চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত তাদের আশ্রয় যুবলীগে আর হবে না। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স নিয়েছেন তার ওপর অটল আছেন। অনেক চমকই সম্মেলনে অপেক্ষা করছে।

যুবলীগের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যারা :

শেখ ফজলে নূর তাপস : যুবলীগের চেয়ারম্যান হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তার বাবা শেখ ফজলুল হক মনি যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়া তার চাচা শেখ ফজলুল করিম সেলিমও যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান। বর্তমান চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী তার ফুপা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ফুপু। ঢাকা-১২ আসনের সাংসদ তাপস বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও এক-এগারো সরকারের সময়ে শেখ হাসিনার মামলার আইনজীবী ছিলেন।

আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারকদের সূত্র জানায়, যুবলীগের চেয়ারম্যান হিসেবে শেখ তাপস প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের অন্যতম শীর্ষে। দলটির অনেকেই বিশ্বাস করেন, পারিবারিক ভাবমূর্তি ও ব্যক্তিগত ইমেজের মাধ্যমে তাপস যুবলীগের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পারবেন। তাই তার নাম চেয়ারম্যান হিসেবে জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।

সাইদুর রহমান শহীদ : চেয়ারম্যান হিসেবে আলোচনায় আছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানকের খালাতো ভাই অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান শহীদ। তিনি টানা দুই মেয়াদে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে আছেন। এর আগে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন।

মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা : যুবলীগের চেয়ারম্যান হিসেবে জোরালো আলোচনায় রয়েছেন ক্রিকেট মাঠের অধিনায়কত্ব থেকে হঠাৎ রাজনৈতিক নেতা বনে যাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা এমপি। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাশরাফীর রয়েছে দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের বড় একটি অংশ তাকে আইডল মানেন। প্রধানমন্ত্রী যুবলীগকে তারুণ্য দিয়ে ঢেলে সাজাতে চাচ্ছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে মাশরাফীকে খুব পছন্দ করেন। বর্তমান যুবলীগের কিছু নেতাদের কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত হয়ে যাওয়া সংগঠনটির দায়িত্ব তাকে দেওয়া হতে পারে। এর ফলে আবারও যুবলীগ হারানো গৌরব ফিরে পাবে বলে মনে করেন অনেকে। প্রধানমন্ত্রীও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন বলে জানান অনেকে। তাই যুবলীগের চেয়ারম্যান হিসেবে মাশরাফীকে দেখা গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

মাহবুবুর রহমান হিরণ : যুবলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান হিরণ বর্তমানে প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি প্রথম সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। এছাড়াও ভোলা জেলা যুবলীগের আহবায়ক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এজিএসসহ বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন : যুবলীগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন। তিনি ২০১৬ সালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। এর আগে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-দপ্তর সম্পাদক এবং ছাত্রলীগের সুলতান-রহমান কমিটিতে জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।

ফারুক হোসেন : যুবলীগের বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. ফারুক হোসেন এর আগে যুগ্ম সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সদস্য এবং ফরিদপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। নতুন কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে তিনিও আলোচনায় আছেন। ছাত্রজীবনে তিনি ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। এরশাদের শাসনামলে তিনি নির্বাচন বয়কটের কারণে ১৪ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হন। সাত বছর জেলে থাকার পর শেখ হাসিনা তাকে মুক্ত করেন।

মির্জা আজম : যুবলীগের নতুন কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে আলোচনায় আছেন সংগঠনটির সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম। সাংসদ আজম বর্তমানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। এর আগে তিনি সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শেখ সেলিমের দুই ছেলে : নতুন গঠিত হতে যাওয়া কমিটিতে আলোচনায় আছেন যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের দুই ছেলে শেখ ফজলে ফাহিম ও শেখ ফজলে নাঈম। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ ফজলে ফাহিম বর্তমানে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি। আর নাঈম বর্তমানে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।

মজিবুর রহমান চৌধুরী : যুবলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরীও আলোচনায় আছেন নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে। এর আগে তিনি সংগঠনটির প্রথম যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নূরে আলম চৌধুরী লিটন : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরে আলম চৌধুরীর নামও শোনা যাচ্ছে। তিনি বর্তমানে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্য।

এছাড়া আলোচনায় আছেন যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে এবং শেখ ফজলে নূর তাপসের বড় ভাই শেখ ফজলে শামস পরশ, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এমপির ভাই খোকন সেরনিয়াবাত ও শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা

মহিউদ্দিন আহমেদ মহি : যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহি। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের সভাপতি। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে অনেক ক্লাবের নাম উঠে এলেও তার ক্লাব ছিল অভিযোগ থেকে মুক্ত।

সুব্রত পাল : সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন যুগ্ম সম্পাদক সুব্রত পাল। তিনি এর আগে যুবলীগের প্রচার সম্পাদক, তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আবুল বাশার : যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলোচনায় আছেন বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশার। তিনি এর আগে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের আহŸায়ক এবং ওই ইউনিটের সভাপতি ছিলেন।

ফারুক হাসান তুহিন : যুবলীগের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিনের নামও শোনা যাচ্ছে নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। এর আগে তিনি ২০০৪ সালে সরাসরি ভোটে ঢাকা জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার : আগামীর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলোচনায় আছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থবিষয়ক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার। তিনি এর আগে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

মাইনুল হোসেন খান নিখিল : যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখা যেতে পারে সংগঠনটির ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাঈনুল হোসেন খান নিখিলকে। এর আগে তিনি ওই শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে অনেক যুবলীগ নেতার নাম উঠে এলেও তিনি এখনো আলোচনার বাইরে রয়েছেন।

রফিকুল ইসলাম চৌধুরী : বর্তমান কমিটির উপ-ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর নাম শোনা যাচ্ছে নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। এর আগে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন।

মিজানুর রহমান মিজান : আলোচনায় আছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসম্পাদক ও বরিশালের মুলাদী উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগের সদস্য মিজানুর রহমান মিজান। ছাত্রজীবনে তিনি ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের (১৯৯৩-৯৭) দায়িত্ব পালন করেন।

এএইচএম কামরুজ্জামান : ঢাকা মহানগর উত্তরে যুবলীগের বর্তমান উপ-দপ্তর সম্পাদক এএইচএম কামরুজ্জামান কামরুল আলোচনায় রয়েছেন আগামীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।

ইকবাল মাহমুদ বাবলু : আরেক তরুণ নেতা ইকবাল মাহমুদ বাবলুর নামও শোনা যাচ্ছে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। বাবলু বর্তমানে কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রচার সম্পাদক। বিএনপি সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।