রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন, যারা আলোচনায়

রোকনুজ্জামান রিপন :=

ছাত্রলীগ, যুবলীগের পর এবার স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব বাদ পড়েছেন। সংগঠনটির তৃতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি আছে—এমন সৎ ও দলের দুঃসময়ে মাঠে থাকা নেতাদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হবে। নেতাদের নানা অপকর্মে ভাবমূর্তির সংকটে পড়া সংগঠনকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে সত্যিকার অর্থেই ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লীগ গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটিতে বেশ কয়েকজন তরুণ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিসম্পন্ন দক্ষ নেতা রয়েছেন। তাঁদের মধ্য থেকেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হবে। নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এমন ইঙ্গিতই দেওয়া হচ্ছে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন নেতৃত্ব আসছে। যাদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আছে, শিক্ষিত এবং সাংগঠনিক দক্ষতা আছে তাদের নেতৃত্বে আনা হবে।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রথম সভাপতি। স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে তাঁর বিশেষ প্রভাব রয়েছে। এবার সংগঠনটির সম্মেলনের মধ্য দিয়ে কেমন নেতৃত্ব আসতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন,‘যারা সৎ, যাদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে, যারা সাহসী ও দুঃসময়ে সংগঠনের জন্য কাজ করেছে, তাদের খুঁজে বের করে নেতা নির্বাচিত করা হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংগঠনের জন্য কাজ করছে, তাদের মাঝ থেকেই অপেক্ষাকৃত তরুণ নেতাদের সামনে আনা হবে।’

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তন আসছে কি না জানতে চাইলে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘যথাসময়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন হয়নি, অনেক বিলম্ব হয়ে গেছে। সে ক্ষেত্রে আগামী কমিটিতে নতুন নেতৃত্ব আসার সম্ভাবনাই বেশি।’
আগামী ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় এবং ১১ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও ১২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় সাত বছর পর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রায় ১৩ বছর পর। ফলে এ সম্মেলন ঘিরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটির নেতাদের মধ্যে সহসভাপতি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক নির্মল রঞ্জন গুহ, সহসভাপতি মতিউর রহমান মতি, মঈন উদ্দিন মঈন, আফজালুর রহমান বাবু ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু সভাপতি প্রার্থী। তবে সংগঠনটির নীতিনির্ধারকরা তাঁদের সাধারণ সম্পাদক পদে রাখতে চাইলে তাঁরা আপত্তি জানাবেন না। সহসভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও এক-এগারোর সময়ে রাজপথে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। নেতাকর্মীদের কাছে সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে তিনি পরিচিত। গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। সাবেক এ ছাত্রলীগ নেতা বিরোধী দলে থাকার সময়ে একাধিকবার কারা নির্যাতনের শিকার হন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায়ও তিনি আহত হন।

সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান কমিটির তরুণ সাংগঠনিক সম্পাদকদের আসার সম্ভাবনা বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে শেখ সোহেল রানা টিপু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাজ্জাদ সাকিব বাদশা সাবেক সাধারণ সম্পাদক। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁদের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে।আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হাসান জুয়েলেরও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম আজিম, আব্দুল আলীম বেপারীও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে যাঁরা আলোচনায়

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন ১১ নভেম্বের। এ উপলক্ষে সব নেতা তাদের কর্মী-সমর্থক নিয়ে প্রার্থিতার জানান দিতে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ ও ধানমন্ডি আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াত করছেন। সম্মেলনে দায়িত্বে থাকা নেতাদের সঙ্গে সালাম এবং কুশলাদি বিনিময় করে যাচ্ছেন।

সভাপতি পদে মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদের নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আলোচনায় আছেন মহানগর দক্ষিণের আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান রিপন।

সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ উল্লাহ পপ্পি,মোস্তাফিজুর রহমান ইরান,স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম সোহাগ এবং আইন সম্পাদক গোপাল সরকার।

এ ব্যাপারে তারিক সাঈদ বলেন, ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আন্দোলন করতে গিয়ে বিএনপি জোটের আমলে কারাবরণ করেছি। যারা দুঃসময়ে দলের পাশে থেকে কাজ করেছেন, দীর্ঘদিন দলের জন্য শ্রম দিয়েছেন, সৎ, নিবেদিত, স্বচ্ছ ও পরীক্ষিত- কর্মীরাই আগামী সম্মেলনে তাদেরই সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করবেন বলে আশা করছি।’

আবুল কালাম আজাদ বলেন,‘যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য শ্রম দিচ্ছেন তাদের মধ্য থেকে নেতা নির্বাচিত হলে সংগঠন শক্তিশালী হবে।’ ঢাকা মহানগর উত্তরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদেও পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। এ পদ দুটি পেতে বর্তমান কমিটির সহসভাপতি গোলাম রাব্বানী ও শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফরোজ হাবীব ও হাবিবুর রহমান পান্না, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল তৎপর রয়েছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসহাক মিয়া সভাপতি পদপ্রত্যাশী। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার সম্পাদক দুলাল হোসেন, মোহাম্মদপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি লায়ন এম এ লতিফও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই মঞ্চে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী

রাহুল-আথিয়া সাত পাকে বাঁধা পড়লেন

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দেশকে সোনার বাংলা করা -শেখ আফিল উদ্দিন, এমপি

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন, যারা আলোচনায়

প্রকাশের সময় : ০৬:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৯

রোকনুজ্জামান রিপন :=

ছাত্রলীগ, যুবলীগের পর এবার স্বেচ্ছাসেবক লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব বাদ পড়েছেন। সংগঠনটির তৃতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি আছে—এমন সৎ ও দলের দুঃসময়ে মাঠে থাকা নেতাদের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হবে। নেতাদের নানা অপকর্মে ভাবমূর্তির সংকটে পড়া সংগঠনকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে সত্যিকার অর্থেই ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লীগ গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটিতে বেশ কয়েকজন তরুণ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিসম্পন্ন দক্ষ নেতা রয়েছেন। তাঁদের মধ্য থেকেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হবে। নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এমন ইঙ্গিতই দেওয়া হচ্ছে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন নেতৃত্ব আসছে। যাদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আছে, শিক্ষিত এবং সাংগঠনিক দক্ষতা আছে তাদের নেতৃত্বে আনা হবে।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রথম সভাপতি। স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে তাঁর বিশেষ প্রভাব রয়েছে। এবার সংগঠনটির সম্মেলনের মধ্য দিয়ে কেমন নেতৃত্ব আসতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন,‘যারা সৎ, যাদের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে, যারা সাহসী ও দুঃসময়ে সংগঠনের জন্য কাজ করেছে, তাদের খুঁজে বের করে নেতা নির্বাচিত করা হবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংগঠনের জন্য কাজ করছে, তাদের মাঝ থেকেই অপেক্ষাকৃত তরুণ নেতাদের সামনে আনা হবে।’

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তন আসছে কি না জানতে চাইলে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘যথাসময়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন হয়নি, অনেক বিলম্ব হয়ে গেছে। সে ক্ষেত্রে আগামী কমিটিতে নতুন নেতৃত্ব আসার সম্ভাবনাই বেশি।’
আগামী ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় এবং ১১ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও ১২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় সাত বছর পর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রায় ১৩ বছর পর। ফলে এ সম্মেলন ঘিরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটির নেতাদের মধ্যে সহসভাপতি ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক নির্মল রঞ্জন গুহ, সহসভাপতি মতিউর রহমান মতি, মঈন উদ্দিন মঈন, আফজালুর রহমান বাবু ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু সভাপতি প্রার্থী। তবে সংগঠনটির নীতিনির্ধারকরা তাঁদের সাধারণ সম্পাদক পদে রাখতে চাইলে তাঁরা আপত্তি জানাবেন না। সহসভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও এক-এগারোর সময়ে রাজপথে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। নেতাকর্মীদের কাছে সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে তিনি পরিচিত। গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। সাবেক এ ছাত্রলীগ নেতা বিরোধী দলে থাকার সময়ে একাধিকবার কারা নির্যাতনের শিকার হন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায়ও তিনি আহত হন।

সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান কমিটির তরুণ সাংগঠনিক সম্পাদকদের আসার সম্ভাবনা বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে শেখ সোহেল রানা টিপু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাজ্জাদ সাকিব বাদশা সাবেক সাধারণ সম্পাদক। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁদের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে।আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হাসান জুয়েলেরও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম আজিম, আব্দুল আলীম বেপারীও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে যাঁরা আলোচনায়

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন ১১ নভেম্বের। এ উপলক্ষে সব নেতা তাদের কর্মী-সমর্থক নিয়ে প্রার্থিতার জানান দিতে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ ও ধানমন্ডি আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াত করছেন। সম্মেলনে দায়িত্বে থাকা নেতাদের সঙ্গে সালাম এবং কুশলাদি বিনিময় করে যাচ্ছেন।

সভাপতি পদে মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদের নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আলোচনায় আছেন মহানগর দক্ষিণের আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান রিপন।

সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ উল্লাহ পপ্পি,মোস্তাফিজুর রহমান ইরান,স্বেচ্ছাসেবক লীগের দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম সোহাগ এবং আইন সম্পাদক গোপাল সরকার।

এ ব্যাপারে তারিক সাঈদ বলেন, ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আন্দোলন করতে গিয়ে বিএনপি জোটের আমলে কারাবরণ করেছি। যারা দুঃসময়ে দলের পাশে থেকে কাজ করেছেন, দীর্ঘদিন দলের জন্য শ্রম দিয়েছেন, সৎ, নিবেদিত, স্বচ্ছ ও পরীক্ষিত- কর্মীরাই আগামী সম্মেলনে তাদেরই সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করবেন বলে আশা করছি।’

আবুল কালাম আজাদ বলেন,‘যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য শ্রম দিচ্ছেন তাদের মধ্য থেকে নেতা নির্বাচিত হলে সংগঠন শক্তিশালী হবে।’ ঢাকা মহানগর উত্তরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদেও পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। এ পদ দুটি পেতে বর্তমান কমিটির সহসভাপতি গোলাম রাব্বানী ও শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফরোজ হাবীব ও হাবিবুর রহমান পান্না, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল তৎপর রয়েছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসহাক মিয়া সভাপতি পদপ্রত্যাশী। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার সম্পাদক দুলাল হোসেন, মোহাম্মদপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি লায়ন এম এ লতিফও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী।