বলিউডের অন্যতম সুখী দম্পতি ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন। তাদের বিয়ের ঘটনাও বেশ মজার। নকল আংটি দিয়ে নাকি সাবেক বিশ্বসুন্দরীকে ঘরনি হওয়ার প্রস্তাব দেন জুনিয়র বচ্চন।
অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার পরিচয় ২০০০ সালে ‘ধাই আকসার প্রেম কে’ ছবি করতে গিয়ে। ওই সময় তারা শুধুই বন্ধু ছিলেন। প্রেম জমেছিল ‘গুরু’র শুটিং ফ্লোরে।
নিউইয়র্কে চলছিল মনি রত্নমের ছবিটির শুটিং। সে সময়ই অভিষেক ঠিক করে ফেলেন ঐশ্বরিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেবেন। কিন্তু কোনো আংটি কেনা হয়নি। তাই ছবির শুটিংয়ে প্রপস হিসেবে ব্যবহার করার জন্য আনা নকল আংটি দিয়েই ঐশ্বরিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন অভিষেক।
সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে ঐশ্বরিয়া। ২০০৭ সালে ২০ এপ্রিল সাত পাকে বাঁধা পড়েন তারা। এক যুগের সংসারে রয়েছে তাদের একমাত্র মেয়ে আরাধ্য।
এক সাক্ষাৎকারে স্ত্রী সম্পর্কে অভিষেক বলেন, “সবাই ঐশ্বরিয়ার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন, তবে মানুষ হিসেবে আরও সুন্দর। খুবই সাধারণ, ডাউন টু আর্থ। ঐশ্বরিয়া একজন আন্তর্জাতিক তারকা, তবে ব্যবহারে ও সেটা কখনোই দেখায় না।”
অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার বিয়ে নিয়ে আরও নাটক রয়েছে। কারিশমা কাপুরের সঙ্গে বাগদান হয় জুনিয়র বচ্চনের। পরে তা ভেঙেও যায়। তবে কারিশমা-অভিষেকের বিয়ে কেন হয়নি- তা একটি রহস্য। বচ্চন বা কাপুর পরিবারের কেউ এই নিয়ে কখনো মুখ খোলেননি। অন্যদিকে সালমান খানের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেন ঐশ্বরিয়া। পরে জড়ান বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে।
গুরু, রাবণ, ধাই আকসার প্রেম কে, উমরাও জান, কুছ না কাহোসহ আরও কিছু সিনেমায় অভিষেক-ঐশ্বরিয়া একসঙ্গে অভিনয় করেন।
বর্তমানে ঐশ্বরিয়া ব্যস্ত মনি রত্নমের সিনেমার শুটিং নিয়ে। ব্যস্ত রুটিন থেকে সময় বের করে গত সপ্তাহে জন্মদিন পালনে ইতালিতে যান স্বামী-সন্তান নিয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ছবি থেকে বোঝা যায় তারা জমজমাটভাবে দিনটি পালন করেছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মহসিন মিলন
সম্পাদকীয় পরিষদ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: নুরুজ্জামান লিটন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: রোকনুজ্জামান রিপন, নির্বাহী সম্পাদক: আব্দুল লতিফ, যুগ্ন নির্বাহী সম্পাদক: আলহাজ্ব মতিয়ার রহমান, সহকারী সম্পাদক: সাজ্জাদুল ইসলাম সৌরভ, মামুন বাবু, বার্তা সম্পাদক: নজরুল ইসলাম
সম্পাদকীয় কার্যালয়
বার্তা ও বানিজ্যক কার্যালয়: গাজীপুর আবাসিক এলাকা, বেনাপোল, যশোর। ইমেইল: mohsin.milon@gmail.com, bartakontho@gmail.com ফোন: ৭৫২৮৯, ৭৫৬৯৫ মোবা: ০১৭১১৮২০৩৯৪
All Rights Reserved © Barta Kontho