রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজির সময় দুই সাংবাদিক গ্রেফতার

সাতক্ষীরা ব্যুরো :=

সাতক্ষীরা শহরের একটি বেকারীতে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মামুন হোসেন মিলন (৩০) ও মাজহারুল ইসলাম (২৮) নামে দুই সাংবাদিক আটক হয়েছে। এ সময় চাঁদাবাজ চক্রের প্রধান ও তার আরেক সহযোগী পালিয়ে যায়।শহরের ইটাগাছায় অবস্থিত শাহিনুর বেকারীতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদেরকে হাতে নাতে আটক করে।

আটক মামুন হোসেন মিলন শহরের রাজারবাগান এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে ও বাংলাদেশ সমাচারের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি। এছাড়া মাজহারুল ইসলাম পৌরসভার বাঁকাল গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে ও স্থানীয় দৈনিকের দায়িত্বে আছেন।

শাহিনুর বেকারীর মালিক আব্দুল খালেক জানান, তারা বেকারীতে চাঁদাবাজি করতে আসে ৫-৭ জনের একটি গ্রুপ নিয়ে। তারা বেকারীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি হচ্ছে বলে হুমকি ধামকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।টাকা না দিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হবে বলে হুমকি দেয় তারা। আমি তাদেরকে দুই হাজার টাকা দেই এবং মঙ্গলবারে আসতে বলি। চাঁদাবাজ চক্রটি আবার আসলে আমি পুলিশ সুপারের কাছে মোবাইলে ঘটনাটি বলি। পুলিশ সুপার সঙ্গে সঙ্গে সদর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশকে পাঠিয়ে দুইজনকে আটক করে। বাকী দুইজন পালিয়ে যায়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

চাঁদাবাজির সময় দুই সাংবাদিক গ্রেফতার

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯
সাতক্ষীরা ব্যুরো :=

সাতক্ষীরা শহরের একটি বেকারীতে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মামুন হোসেন মিলন (৩০) ও মাজহারুল ইসলাম (২৮) নামে দুই সাংবাদিক আটক হয়েছে। এ সময় চাঁদাবাজ চক্রের প্রধান ও তার আরেক সহযোগী পালিয়ে যায়।শহরের ইটাগাছায় অবস্থিত শাহিনুর বেকারীতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদেরকে হাতে নাতে আটক করে।

আটক মামুন হোসেন মিলন শহরের রাজারবাগান এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে ও বাংলাদেশ সমাচারের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি। এছাড়া মাজহারুল ইসলাম পৌরসভার বাঁকাল গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে ও স্থানীয় দৈনিকের দায়িত্বে আছেন।

শাহিনুর বেকারীর মালিক আব্দুল খালেক জানান, তারা বেকারীতে চাঁদাবাজি করতে আসে ৫-৭ জনের একটি গ্রুপ নিয়ে। তারা বেকারীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি হচ্ছে বলে হুমকি ধামকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।টাকা না দিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হবে বলে হুমকি দেয় তারা। আমি তাদেরকে দুই হাজার টাকা দেই এবং মঙ্গলবারে আসতে বলি। চাঁদাবাজ চক্রটি আবার আসলে আমি পুলিশ সুপারের কাছে মোবাইলে ঘটনাটি বলি। পুলিশ সুপার সঙ্গে সঙ্গে সদর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশকে পাঠিয়ে দুইজনকে আটক করে। বাকী দুইজন পালিয়ে যায়।